ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ফ্লোটিলার ত্রাণবাহী সব জাহাজ ইসরায়েলের হাতে আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অক্টোবর ৩, ২০২৫, ০৪:১৭ পিএম

ফ্লোটিলার ত্রাণবাহী সব জাহাজ ইসরায়েলের হাতে আটক

অবরুদ্ধ গাজায় ক্ষুধার্থদের জন্য গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার ত্রাণবাহী সবগুলো জাহাজই আটক করেছে ইসরায়েলি নৌবাহিনী। সংস্থাটির ৪৫টি জাহাজের সাথে থাকা ৫০০ মানবাধিকার কর্মীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার সকালে লাইভস্ট্রিমে দেখা যায়, ইসরায়েলি কমান্ডোরা শক্তি প্রয়োগ করে পোল্যান্ডের পতাকাবাহী জাহাজটিতে উঠে পড়েছে। খবর আল জাজিরার।

জানা গেছে, ম্যারিনেটে ৬ জন ক্রু ছিলেন। এটিই ফ্লোটিলার ৪৫টি জাহাজের বিশাল বহরের শেষ সক্রিয় নৌযান, যা গাজার অবরুদ্ধ জনগণের জন্য ত্রাণ নিয়ে যাচ্ছিল।

ম্যারিনেট আটকের মধ্য দিয়ে ইসরায়েলি নৌবাহিনীর হাতে ফ্লোটিলার ঐতিহাসিক অভিযানের কার্যত সমাপ্তি ঘটল।

এর আগে ফ্লোটিলার লাইভ ট্র্যাকার অনুযায়ী, শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক জলসীমায় প্রায় ২.১৬ নট (প্রায় ঘণ্টায় ৪ কিমি) গতিতে গাজা উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল দ্য ম্যারিনেট। গাজা উপকূল থেকে এর দূরত্ব তখন ছিল ৮০ কিলোমিটার।

সে সময় জাহাজটির ক্যাপ্টেন এক ভিডিও বার্তায় জানান, জাহাজে ইঞ্জিনের সাময়িক সমস্যা দেখা দিয়েছিল, তবে তা সমাধান করা হয়েছে। স্টারলিংকের মাধ্যমে তারা যোগাযোগ রক্ষা করছিলেন এবং জাহাজের লাইভস্ট্রিমও চালু ছিল।

বুধবার (১ অক্টোবর) স্থানীয় সময় রাত থেকেই ফ্লোটিলার নৌযানগুলোতে অভিযান চালায় ইসরায়েল। ওইদিনই আটক করা হয় দুই শতাধিক যাত্রীকে। তাদের সবাইকে ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের কেটজিওট কারাগারে রাখা হয়। আটকদের মধ্যে সুইডিশ পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও আছেন।

ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি, নৌবহরের যাত্রীরা সক্রিয় যুদ্ধক্ষেত্রে প্রবেশ করছেন এবং বৈধ অবরোধ লঙ্ঘন করছেন। আটকদের ইউরোপে পাঠানো হবে বলেও জানানো হয়।

এদিকে, তেল আবিবের এমন পদক্ষেপে তুরস্ক, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও কুয়েতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ নিন্দা জানিয়েছে। তবে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি বলছেন, এই জাহাজভরা ত্রাণে কোনো প্রভাব পড়বে না গাজা উপত্যকাবাসীর ওপর।

ইএইচ

Link copied!