ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

বিশ্বের ইতিহাসে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ক্ষমতাচ্যুত রাষ্ট্রপ্রধান যারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নভেম্বর ১৭, ২০২৫, ০৬:০৪ পিএম

বিশ্বের ইতিহাসে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ক্ষমতাচ্যুত রাষ্ট্রপ্রধান যারা

বিশ্ব ইতিহাসে ক্ষমতাচ্যুত রাষ্ট্রপ্রধানের বিচার ও মৃত্যুদণ্ড বিরল হলেও রাজনৈতিক পরিবর্তনের সবচেয়ে নাটকীয় অধ্যায়গুলোর একটি। 

সামরিক অভ্যুত্থান, বিপ্লব, গণ-অপরাধ কিংবা রাজনৈতিক রূপান্তরের মুহূর্তে বিভিন্ন দেশ তাদের ক্ষমতাচ্যুত নেতাদের বিচারের মুখোমুখি করেছে। কেউ আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন, কেউ আবার আত্মসমর্পণের পর মুহূর্তেই নিহত হয়েছেন।

নিকোলায় চাউশেস্কু (রুমানিয়া)

দীর্ঘ ২৪ বছর রুমানিয়া শাসন করেন কমিউনিস্ট নেতা নিকোলায় চাউশেস্কু। ১৯৮৯ সালে কমিউনিস্ট শাসনের পতনের সময় তাকে ও তার স্ত্রীকে সামরিক ট্রাইব্যুনালে দ্রুত বিচারের মুখোমুখি করা হয়। গণহত্যা ও অর্থনৈতিক ধ্বংসের অভিযোগে ওই বছরের বড়দিনে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়। আধুনিক রুমানিয়ার ইতিহাসে এটি ছিল শেষ মৃত্যুদণ্ড।

জুলফিকার আলী ভুট্টো (পাকিস্তান)

পাকিস্তানের জনপ্রিয় নেতা ও নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোকে ১৯৭৭ সালে সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। পরে বিতর্কিত হত্যা মামলায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করে ১৯৭৯ সালে ফাঁসি দেওয়া হয়।

দীর্ঘ চার দশক পর, ২০২৪ সালে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট তার বিচারকে “মারাত্মকভাবে ত্রুটিপূর্ণ” ঘোষণা করে।

সাদ্দাম হোসেন (ইরাক)

১৯৭৯ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত ইরাকের শাসক ছিলেন সাদ্দাম হোসেন। মার্কিন নেতৃত্বাধীন আগ্রাসনের পর মানবতাবিরোধী অপরাধে তাকে ইরাকি ট্রাইব্যুনালে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। ২০০৬ সালের ডিসেম্বরের তার মৃত্যুদণ্ড ছিল আধুনিক সময়ে সবচেয়ে আলোচিত বিচারগুলির একটি।

মুয়াম্মার গাদ্দাফি (লিবিয়া)

লিবিয়ার দীর্ঘ ৪২ বছরের শাসক গাদ্দাফি ২০১১ সালে বিদ্রোহে ক্ষমতা হারান। আদালতের কোনো রায় ছাড়াই আটক হওয়ার পর মাঠেই তাকে হত্যা করা হয়। এটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি করে এবং লিবিয়ার বিভক্ত রাজনীতির সূচনা হয়।

মেংগিস্তু হাইলি মারিয়াম (ইথিওপিয়া)

‘রেড টেরর’ নামে কুখ্যাত দমন-পীড়নের দায়ে ইথিওপিয়ার সাবেক দার্গ নেতা মেংগিস্তু অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হন। বর্তমানে তিনি জিম্বাবুয়েতে নির্বাসনে নিরাপদেই বাস করছেন।

চুন দু-হোয়ান (দক্ষিণ কোরিয়া)

গওয়াংজু গণঅভ্যুত্থান দমন ও ১৯৭৯ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের দায়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট চুন দু-হোয়ান মৃত্যুদণ্ড পান। পরে দণ্ড মওকুফ হয় এবং তিনি রাষ্ট্রপতির ক্ষমা লাভ করেন—দক্ষিণ কোরিয়ার গণতান্ত্রিক যাত্রায় এটি ছিল বড় টার্নিং পয়েন্ট।

জোসেফ কাবিলা (ডিআর কঙ্গো)

২০০১ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কঙ্গোর প্রেসিডেন্ট থাকা জোসেফ কাবিলা ২০২৫ সালে অনুপস্থিতিতে রাষ্ট্রদ্রোহ, বিদ্রোহ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হন। এটি বর্তমান সময়ের অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক-আইনি ঘটনা। তবে তিনি গ্রেপ্তার হননি এবং অভিযোগ অস্বীকার করছেন।

ইএইচ

Link copied!