ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় যুক্ত হলো বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ১০:১৩ এএম

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় যুক্ত হলো বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ‘ভিসা বন্ড’ তালিকায় যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের নাম। এর ফলে এখন থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের মার্কিন ভিসা পেতে হলে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার (প্রায় ১৮ লাখ টাকা) পর্যন্ত ফেরতযোগ্য জামানত বা ‘ভিসা বন্ড’ জমা দিতে হতে পারে।

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এই তালিকা আপডেট করেছে। বাংলাদেশসহ মোট ৩৮টি দেশ এখন এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য এই নতুন নিয়ম কার্যকর হবে।

নিয়ম ও বন্ডের পরিমাণ: মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের তথ্য অনুযায়ী, কোনো আবেদনকারী ভিসার জন্য যোগ্য বিবেচিত হলেও কনস্যুলার অফিসার চাইলে তাঁর ওপর এই বন্ডের শর্তারোপ করতে পারেন। বন্ডের পরিমাণ নির্ধারিত হবে তিনটি ধাপে- ৫ হাজার, ১০ হাজার অথবা ১৫ হাজার মার্কিন ডলার। আবেদনকারীর ব্যক্তিগত পরিস্থিতি ও ইন্টারভিউয়ের ওপর ভিত্তি করে সংশ্লিষ্ট ভিসা কর্মকর্তা এই পরিমাণ নির্ধারণ করবেন।

টাকা জমা ও ফেরতের প্রক্রিয়া: বন্ডের অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘Pay.gov’ এর মাধ্যমে জমা দিতে হবে। তবে কনস্যুলার অফিসার নির্দেশনা দেওয়ার আগে কোনো অর্থ জমা না দেওয়ার জন্য সতর্ক করা হয়েছে। এটি মূলত একটি ফেরতযোগ্য জামানত। ভ্রমণকারী অনুমোদিত সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করলে, ভিসা পাওয়ার পর ভ্রমণ না করলে কিংবা মার্কিন বিমানবন্দরে প্রবেশে বাধা পেলে এই অর্থ ফেরত পাওয়া যাবে। তবে যদি কেউ নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান করেন বা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে স্ট্যাটাস পরিবর্তনের আবেদন করেন (যেমন এসাইলাম বা রাজনৈতিক আশ্রয়), তবে সেই জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত করা হবে।

উদ্দেশ্য ও কারণ: যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এই পাইলট প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য হলো ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যারা অবৈধভাবে থেকে যান (ওভারস্টে), তাদের নিরুৎসাহিত করা। যেসব দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ফিরে না আসার হার বেশি, তাদেরই এই তালিকায় রাখা হয়েছে। বাংলাদেশের পাশাপাশি আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, ভুটান, কিউবা, জিবুতি, ফিজি, নাইজেরিয়া, নেপাল ও উগান্ডার মতো দেশগুলোও এই তালিকায় রয়েছে।

নির্দিষ্ট বিমানবন্দর ব্যবহার বাধ্যতামূলক: ভিসা বন্ড প্রদানকারী যাত্রীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে তিনটি বিমানবন্দর নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশি যাত্রীদের কেবল এই তিন বিমানবন্দর দিয়েই প্রবেশ ও বের হতে হবে। বিমানবন্দরগুলো হলো- বোস্টন লোগান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (BOS), জন এফ কেনেডি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (JFK), ওয়াশিংটন ডুলস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট নির্ধারিত পথ ছাড়া অন্য কোনো পথে প্রবেশ বা বের হলে বন্ডের শর্ত ভঙ্গ হয়েছে বলে গণ্য হবে এবং টাকা ফেরত পাওয়া জটিল হয়ে পড়বে(IAD)।

ভিসা বন্ড আসলে কী: ভিসা বন্ড হলো একধরনের আর্থিক নিশ্চয়তা। নির্দিষ্ট বিদেশি নাগরিকরা যেন ভিসার শর্ত এবং থাকার সময়সীমা মেনে চলেন, তা নিশ্চিত করতেই এই জামানত নেওয়া হয়। ইতিপূর্বে নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য এমন উদ্যোগ নিলেও পরবর্তীতে তা কার্যকর থাকেনি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশিদের জন্য মার্কিন ভিসা পাওয়া আরও ব্যয়বহুল ও জটিল হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জেএইচআর

Link copied!