ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ভারত-চীন-ব্রাজিলের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাবে সম্মতি ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ০২:০২ পিএম

ভারত-চীন-ব্রাজিলের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাবে সম্মতি ট্রাম্পের

রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল ও পণ্য আমদানির অভিযোগে ভারত, চীন ও ব্রাজিল— এই তিন শক্তির ওপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের একটি প্রস্তাবিত বিলে সম্মতি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

বৃহস্পতিবার মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম এক বিবৃতিতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

‘গ্রাহাম-ব্লুমেন্টাল নিষেধাজ্ঞা বিল’ নামের এই প্রস্তাবটি পাস হলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এমন দেশগুলোর ওপর বিশাল অংকের শুল্ক আরোপের ক্ষমতা পাবেন, যারা রাশিয়া থেকে নিয়মিত তেল বা ইউরেনিয়াম কেনে। 

যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, এই দেশগুলো পণ্য কেনার মাধ্যমে মূলত পুতিনের ‘যুদ্ধযন্ত্রে’ অর্থ জোগান দিচ্ছে। বিলটির প্রধান লক্ষ্য হলো রাশিয়াকে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করে দেওয়া এবং ইউক্রেন যুদ্ধে মস্কোর সক্ষমতা কমিয়ে আনা।

বর্তমানে ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ এবং চীনের ওপর ৩০ শতাংশ রপ্তানি শুল্ক কার্যকর রয়েছে। তবে নতুন এই বিলটি কার্যকর হলে সেই হার একলাফে ৫০০ শতাংশে উন্নীত হতে পারে। রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম এবং ডেমোক্র্যাট সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেন্থাল যৌথভাবে এই বিলটি তৈরি করেছেন। 

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, যারা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে রুশ জ্বালানি ও পণ্য কেনে, তাদের ওপর ‘দ্বিতীয় মাত্রার নিষেধাজ্ঞা’ জারি করা হবে।

হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতের পর গ্রাহাম জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই কঠোর পদক্ষেপের প্রতি তার পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। 

তিনি বলেন, “এটি সঠিক সময়ে পাস হতে যাচ্ছে। কারণ রাশিয়া এখনো ইউক্রেনে নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করছে। এখন কেবল কথার নয়, শক্ত পদক্ষেপের সময়।”

আগামী সপ্তাহেই মার্কিন পার্লামেন্টে এই বিলের ওপর ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, বিলটি প্রথমে প্রতিনিধি পরিষদে এবং পরে সিনেটে পাস হতে হবে। উভয় কক্ষের সবুজ সংকেত পাওয়ার পর প্রেসিডেন্টের চূড়ান্ত স্বাক্ষরের মাধ্যমেই এটি আইনে পরিণত হবে।

ইএইচ

Link copied!