ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ফিলিস্তিনি বন্দীদের ধর্ষণ নিয়ে প্রতিবেদন, নিউইয়র্ক টাইমসের বিরুদ্ধে মামলা করবে ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মে ১৫, ২০২৬, ০৭:৪০ এএম

ফিলিস্তিনি বন্দীদের ধর্ষণ নিয়ে প্রতিবেদন, নিউইয়র্ক টাইমসের বিরুদ্ধে মামলা করবে ইসরায়েল
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: এএফপি

ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের জেরে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। একই সঙ্গে প্রতিবেদক নিকোলাস ক্রিস্টফকেও মামলার আওতায় আনার কথা জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেন, তিনি তাঁর আইনজীবীদের সম্ভাব্য সর্বোচ্চ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁর দাবি, প্রতিবেদনে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী, কারা কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

নেতানিয়াহুর ভাষ্য, এ ধরনের প্রতিবেদন ইসরায়েলি সেনাদের সম্মানহানি করছে এবং হামাস যোদ্ধাদের সঙ্গে ইসরায়েলি বাহিনীর ‘অযৌক্তিক তুলনা’ তৈরি করছে। তিনি বলেন, “এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আমরা শুধু আদালতেই নয়, জনমতেও লড়াই চালিয়ে যাব।”

তবে মামলা কোথায় বা কখন দায়ের করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। এর আগেও গাজায় দুর্ভিক্ষ নিয়ে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের কারণে নিউইয়র্ক টাইমসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন নেতানিয়াহু, যদিও পরে তা বাস্তবায়ন হয়নি।

অন্যদিকে, নিউইয়র্ক টাইমস এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তবে বুধবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে পত্রিকাটি প্রতিবেদক নিকোলাস ক্রিস্টফের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পক্ষে অবস্থান নেয়। সেখানে এক ফিলিস্তিনি বন্দির অভিযোগ তুলে ধরা হয়, যিনি দাবি করেছেন, তাকে নির্যাতনের সময় কুকুর ব্যবহার করা হয়েছিল। ইসরায়েল অবশ্য এমন অভিযোগ সরাসরি নাকচ করেছে।

পত্রিকাটির মুখপাত্র চার্লি স্টাডল্যান্ডার বলেন, প্রতিবেদনে ব্যবহৃত তথ্য ও সাক্ষ্য একাধিক সূত্রের মাধ্যমে যাচাই করা হয়েছে। তাঁর দাবি, ভুক্তভোগী, পরিবারের সদস্য, আইনজীবী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য মিলিয়ে বিস্তারিত তথ্য-যাচাই শেষে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে নিকোলাস ক্রিস্টফ আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়ন ইসরায়েলি নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সহায়তা করছে। ফলে এসব অভিযোগের ঘটনায় ওয়াশিংটনেরও পরোক্ষ দায় রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর শুরু হওয়া সংঘাতের পর থেকে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ইসরায়েল ও হামাস- উভয় পক্ষের বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতার অভিযোগ নথিভুক্ত করেছে।

এএন

Link copied!