ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ইরানের তেল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে রাজি যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মে ১৮, ২০২৬, ১০:০৬ পিএম

ইরানের তেল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে রাজি যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এর জন্য শর্ত হিসেবে ইরানকে চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে আসতে হবে এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করে দিতে হবে। 

সোমবার ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার শান্তি প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত একটি সূত্রের বরাতে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

পশ্চিম এশিয়ার এই দেশটির সাথে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে শান্তি আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। এর আগে দুই দফায় আয়োজিত বৈঠক থেকে কোনো ইতিবাচক ফলাফল না এলেও ইসলামাবাদের বিশেষ অনুরোধে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়িয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

দুই দেশের মধ্যে একটি কার্যকর চুক্তি সম্পাদনের লক্ষ্যে পাকিস্তান সরকার নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি বর্তমানে তেহরান সফরে রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া পাঁচটি শর্তের বিপরীতে সাড়া দিয়ে ইরান পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে তাদের সর্বশেষ সংশোধিত ১৪ দফা প্রস্তাব হস্তান্তর করেছে। তেহরানের গণমাধ্যমগুলো মার্কিন দাবিগুলোকে ‘অতিরিক্ত’ বলে উল্লেখ করলেও উভয় পক্ষের মধ্যে প্রস্তাব বিনিময় অব্যাহত রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের তেল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের এই সিদ্ধান্তকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চূড়ান্ত সমঝোতায় না পৌঁছানো পর্যন্ত ওএফএসির (অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল) নিষেধাজ্ঞা মওকুফের প্রস্তাব দিয়েছে ওয়াশিংটন। এর আগে গত ফেব্রুয়ারির শেষভাগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। এর ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়ে উঠলে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে গত মার্চ মাসে ট্রাম্প প্রশাসন ৩০ দিনের জন্য সমুদ্রপথে ইরানের তেল ক্রয়ের ওপর থেকে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়।

দীর্ঘদিনের মার্কিন নীতিতে এটি ছিল একটি বড় পরিবর্তন। আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তেলের রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধি মার্কিন ব্যবসা ও সাধারণ ভোক্তাদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে হোয়াইট হাউসের এমন উদ্বেগের কারণেই মূলত তখন এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার মতে, ইরানের সাথে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের জেরে তেহরান ও তার উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর তেল অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। একই সাথে প্রণালিটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ইতিহাসে সবচেয়ে বড় তেল সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছে। বিশ্বব্যাপী তেলের মজুত দ্রুত হ্রাস পাওয়ায় বিশ্লেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন, আগামী বছরের শেষ নাগাদও এই সংকট পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নাও হতে পারে।

জেএইচআর

Link copied!