ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

৮৮ দিন পর ইরানে আংশিক ইন্টারনেট সংযোগ চালু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মে ২৮, ২০২৬, ০৬:০৭ পিএম

৮৮ দিন পর ইরানে আংশিক ইন্টারনেট সংযোগ চালু

৮৮ দিন পর আবার আংশিকভাবে ইন্টারনেট সংযোগ চালু করেছে ইরান। তবে এখনো ফেসবুক, এক্স (টুইটার), ইনস্টাগ্রামসহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রবেশাধিকার সীমিত রয়েছে।

ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা নেটব্লকস জানিয়েছে, মঙ্গলবার থেকে দেশটিতে মোবাইল নেটওয়ার্কসহ বিভিন্ন ইন্টারনেট সেবা ধীরে ধীরে বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হতে শুরু করে। বর্তমানে ইরানের ইন্টারনেট সক্ষমতা প্রায় ৮৬ শতাংশে পৌঁছেছে। তবে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও এখনো কিছু সীমাবদ্ধতা রয়ে গেছে।

এর আগে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের নেতৃত্বাধীন সাইবারস্পেস ব্যবস্থাপনা কমিটি ইন্টারনেট পুনরায় চালুর পক্ষে ভোট দেয়। ওই বৈঠকে ৯ জন সদস্য সংযোগ পুনরুদ্ধারের পক্ষে মত দেন, বিপক্ষে ছিলেন ২ জন।

তবে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, প্রশাসনিক আদালত সাময়িকভাবে ওই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন স্থগিত করেছে। ফলে ইন্টারনেট পুরোপুরি চালু হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী সাত্তার হাশেমি জানান, সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য ইন্টারনেট পুনরায় চালুর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এবং দেশজুড়ে ব্রডব্যান্ড সেবা ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধারের কাজ চলছে।

এর আগে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্তে জানুয়ারিতে ইরানে প্রায় সম্পূর্ণ ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। তখন সরকার দাবি করেছিল, যুদ্ধ পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য সাইবার হামলা ঠেকাতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।

এদিকে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ফার্স নিউজ প্রথমে এই সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। পরে তারা জানায়, নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত বাস্তবতার কারণে ইন্টারনেট পুনরায় চালু হওয়া সময়ের ব্যাপার ছিল।

অন্যদিকে ইন্টারনেট চালুর বিরোধিতা করেন রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রধান পেইমান জেবেলি এবং সুপ্রিম কাউন্সিল অব সাইবারস্পেসের সচিব মোহাম্মদ-আমিন আগামিরি। স্থানীয় গণমাধ্যম ফারাজ জানায়, বৈঠকের শেষ পর্যন্ত তারা বৈশ্বিক ইন্টারনেট পুনঃসংযোগের বিপক্ষে অবস্থান নেন।

প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান আগে থেকেই ইন্টারনেট পুনরায় চালু করাকে নিজের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারের একটি হিসেবে উল্লেখ করে আসছিলেন।

এম জি

Link copied!