ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬

নেতানিয়াহুর গ্রেপ্তার চান ৪৬ শতাংশ আমেরিকান 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জুলাই ২৮, ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম

নেতানিয়াহুর গ্রেপ্তার চান ৪৬ শতাংশ আমেরিকান 

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও গাজা যুদ্ধ নিয়ে খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই জনমতে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। সাম্প্রতিক এক ইউগভ জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ৪৬ শতাংশ মার্কিন নাগরিক মনে করেন নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করা উচিত।

বিপরীতে, তার গ্রেপ্তারের বিপক্ষে মত দিয়েছেন মাত্র ২৮ শতাংশ মানুষ। এই জরিপে অংশগ্রহণকারীদের একটি বড় অংশই গণহত্যার মতো গুরুতর অভিযোগে আন্তর্জাতিক আইনের কঠোর প্রয়োগের পক্ষে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছেন।

একই সময়ে প্রকাশিত রয়টার্স-ইপসোসের আরেকটি জরিপ বলছে, প্রতি ৩ জন মার্কিন নাগরিকের মধ্যে ১ জন সম্ভাব্য ইরান যুদ্ধ নিয়ে বেশ সন্দিহান। পাশাপাশি এই যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া ব্যাখ্যায় অধিকাংশ নাগরিকই অসন্তুষ্ট। গাজা সংকট যত দীর্ঘ হচ্ছে, ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের মিত্র ইসরায়েলকে নিয়ে মার্কিন সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ততটাই বদলে যাচ্ছে।

নেতানিয়াহুর ওপর এই অসন্তোষ কেবল সাধারণ আমেরিকানদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং দেশটির ইহুদি সম্প্রদায়ের মাঝেও তার তীব্র সমালোচনা হচ্ছে। গত জুনে প্রকাশিত অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস-এনওআরসি (AP-NORC) সেন্টারের জরিপে দেখা গেছে, মাত্র এক-তৃতীয়াংশ ইহুদি-আমেরিকান নেতানিয়াহুকে ইতিবাচক চোখে দেখেন। বাকি ৬০ শতাংশ ইহুদি নাগরিকই তার প্রতি নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন, যার মধ্যে ৪২ শতাংশের দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত কঠোর। এমনকি জরিপে অংশ নেওয়া ৩০ শতাংশ ইহুদি-আমেরিকান সরাসরি মনে করেন যে, গাজায় ইসরায়েল গণহত্যা সংগঠিত করেছে।

এরই মধ্যে নিউইয়র্কের ফিলিস্তিনপন্থী মেয়র জোহরান মামদানির জনপ্রিয়তা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। জরিপে ৪৪ শতাংশ ইহুদি-আমেরিকান মামদানিকে ইতিবাচক এবং ৩৯ শতাংশ নেতিবাচক হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন। ফলে জনপ্রিয়তার বিচারে তিনি বর্তমানে নেতানিয়াহুর চেয়েও এগিয়ে আছেন।

এমন এক উত্তপ্ত পরিস্থিতিতেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করতে যুক্তরাষ্ট্র সফরে এসেছেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, এই হাই-প্রোফাইল বৈঠকে ইরান যুদ্ধ ছাড়াও আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও দ্বিপাক্ষিক শান্তি বৃদ্ধির নানা উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হবে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন প্রশাসনের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি হবে নেতানিয়াহুর সঙ্গে তাঁর অষ্টম বৈঠক।

আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানাকে উপেক্ষা করে চালানো এই সফরে নেতানিয়াহু প্রয়াত রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের শেষকৃত্যানুষ্ঠানেও অংশ নেবেন। তবে তাঁর এই সফরকে কেন্দ্র করে হোয়াইট হাউসের বাইরে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভকারীরা জোরালো আন্দোলন শুরু করেছেন। এদিকে রবিবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু জানান, আগামী সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। একই সঙ্গে নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির পক্ষ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তারের যে আহ্বান জানানো হয়েছিল, তা স্পষ্ট ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী।

এএন

Link copied!