ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

জ্বালানি সংকটের শঙ্কায় মোটরসাইকেলের তেল বোতলে মজুদ করছেন বাইকাররা

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মার্চ ৭, ২০২৬, ০৩:০৩ পিএম

জ্বালানি সংকটের শঙ্কায় মোটরসাইকেলের তেল বোতলে মজুদ করছেন বাইকাররা

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ কয়েকটি পেট্রোল পাম্প বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অনেক মোটরসাইকেল চালক ভবিষ্যতের কথা ভেবে তেল সংগ্রহ করে রাখার চেষ্টা করছেন। কেউ কেউ মোটরসাইকেলের ট্যাংক থেকে তেল বের করে বোতলে ভরে বাসায় সংরক্ষণ করছেন বলেও জানা গেছে।

বাইকারদের মতে, হঠাৎ করে একাধিক পাম্প বন্ধ থাকায় বাজারে তেলের সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এতে অনেকের মধ্যে ধারণা জন্মেছে যে যেকোনো সময় জ্বালানির দাম বাড়তে পারে। এমন আশঙ্কা থেকেই অনেক চালক আগেভাগেই তেল মজুদ করার উদ্যোগ নিচ্ছেন।

একজন মোটরসাইকেল চালক জানান, তেলের দাম হঠাৎ বাড়তে পারে এমন গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। পাশাপাশি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পাম্প বন্ধ থাকায় তেল পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। এ কারণেই তিনি আগে থেকেই কিছু তেল জমিয়ে রাখছেন। তাঁর ভাষ্য, “আমি প্রায় ১০ লিটার তেল সংরক্ষণ করেছি। প্রয়োজন হলে আরও রাখব, যেন অন্তত ঈদ পর্যন্ত চালানো যায়।”

তিনি আরও বলেন, জুরাইন, শ্যামপুর ও রায়েরবাগসহ ঢাকার কয়েকটি এলাকায় অনেক পাম্প বন্ধ রয়েছে। ফলে যাত্রাবাড়ী এলাকায় হাতে গোনা কয়েকটি পাম্প খোলা থাকায় সেখানে তেল নিতে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। অনেক চালক গত রাত থেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে জ্বালানি সংগ্রহ করার চেষ্টা করছেন।

বাইকারদের আশঙ্কা, যদি হঠাৎ করে প্রতি লিটার জ্বালানির দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়, তাহলে বর্তমান ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করা কঠিন হয়ে পড়বে। কারণ এখনকার দামে কেনা তেলের ভিত্তিতে অতিরিক্ত ভাড়া যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা সম্ভব নাও হতে পারে।

কিছু চালকের অভিযোগ, কোথাও কোথাও পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুদ থাকা সত্ত্বেও পাম্প বন্ধ রাখা হচ্ছে। এতে কোনো ধরনের সিন্ডিকেট কাজ করছে কি না, সে প্রশ্নও তুলছেন তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দ্রুত প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন বাইকাররা।

তাদের মতে, যদি পাম্পগুলো স্বাভাবিকভাবে চালু থাকত এবং জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা না থাকত, তাহলে সাধারণ মানুষকে এভাবে তেল জমিয়ে রাখার প্রয়োজন পড়ত না।

এএন

Link copied!