ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

মির্জাপুরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীর মাথার চুল কেটে দিলেন স্বামী

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

জুন ৪, ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএম

মির্জাপুরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীর মাথার চুল কেটে দিলেন স্বামী

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে শ্বশুরবাড়ি থেকে যৌতুক না দেওয়ার অপরাধে স্ত্রীকে নির্যাতন করে মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সেনাবাহিনীর সৈনিক স্বামী আপন মিয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্ত্রী শিমু আক্তার বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করেছেন। বৃহস্পতিবার অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মির্জাপুর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক প্রদীপ চন্দ্র।

শিমু আক্তার (১৯) মির্জাপুর উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের শাজাহান মিয়ার মেয়ে এবং আপন মিয়া একই উপজেলার ভাদগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল গ্রামের ফজলু মিয়ার ছেলে। আপন কক্সবাজারের রামুতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সৈনিক পদে কর্মরত আছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দেড় বছর আগে আপন মিয়া ও শিমু আক্তারের মধ্যে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই মোটরসাইকেল কেনার জন্য ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল থাকায় যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় শিমুর ওপর শুরু হয় নির্যাতন। গত ২১ মে ঈদের ছুটিতে গোড়াইল গ্রামের বাড়িতে আসেন সেনাবাহিনীর সৈনিক আপন। এরপর ২৩ মে যৌতুকের টাকা না পেয়ে জোরপূর্বক শিমুর মাথার চুল কেটে দেন।

পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ঈদের পরের দিন ২৯ মে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে উপজেলার ধেরুয়া জলকুটির এলাকায় বেড়াতে যান। সেখানে শিমুর শরীরের বিভিন্ন স্থানে সিগারেটের ছ্যাঁকা দেন। এ সময় গৃহবধূর গলায় থাকা একটি স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল নিয়ে যান স্বামী। পরে সেখান থেকে বেরিয়ে সন্ধ্যার দিকে তাকে মারধর করে অজ্ঞান অবস্থায় লতিফপুর এলাকার রাস্তায় ফেলে রেখে চলে যান। পরে পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে শিমুকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা করান। পরবর্তীতে মঙ্গলবার (২ জুন) স্বামী আপন মিয়াসহ ৩ জনের নাম উল্লেখ করে মির্জাপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন শিমু আক্তার।

ভুক্তভোগী শিমু আক্তার বলেন, “এর আগেও একটি মেয়ের সঙ্গে আমার স্বামীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই মেয়েটি বিয়ের দাবিতে বাড়িতে উঠেছিল। যৌতুকের জন্য শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। আমাকে অনেক মারধর করা হয়েছে। তবুও আমি তার সংসার করতে চেয়েছি। কিন্তু এখন আর পারছি না। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আমার স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যদের সুষ্ঠু বিচার চাই।”

সেনাবাহিনীর সদস্য আপন মিয়া মুঠোফোনে বলেন, “দেওহাটা এলাকার সাগর নামে একটি ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল শিমুর। আমার স্ত্রী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। পরকীয়া প্রেমের কারণে চার মাসের বাচ্চাটি হাসপাতালে গিয়ে নষ্ট করে। আমি তাকে নির্যাতন করিনি। কিছুদিন আগে টাইফয়েড জ্বর হয়। ডাক্তারের পরামর্শে শিমুর মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়।”

লতিফপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী হোসেন রনি জানান, ওই গৃহবধূর পরিবার একাধিকবার তার কাছে এসেছিল। তারা গ্রাম্য সালিশে বিচার না পেয়ে থানায় অভিযোগ করেছেন।

মির্জাপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এ ব্যাপারে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

এএন

Link copied!