ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

বাংলাদেশে ভারতের নতুন হাইকমিশনার নিয়োগ, কে এই দীনেশ ত্রিবেদী?

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ০৬:১১ পিএম

বাংলাদেশে ভারতের নতুন হাইকমিশনার নিয়োগ, কে এই দীনেশ ত্রিবেদী?

বাংলাদেশে ভারতের নতুন হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অভিজ্ঞ রাজনীতিক দীনেশ ত্রিবেদী।

সোমবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য জানায়। তিনি বর্তমান হাইকমিশনার প্রণয় বর্মা-এর স্থলাভিষিক্ত হয়ে শিগগিরই ঢাকায় দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এই নিয়োগ বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুনভাবে গতি দেওয়া এবং পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যেই নয়াদিল্লি একজন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে এই পদে দায়িত্ব দিয়েছে।

কে এই দীনেশ ত্রিবেদী?

বাংলাদেশে ভারতের নতুন হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ পাওয়া দীনেশ ত্রিবেদী একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিক, যিনি দীর্ঘদিন ধরে ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন।

দীনেশ ত্রিবেদীর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় আশির দশকে কংগ্রেসের মাধ্যমে। পরবর্তীতে তিনি জনতা দলে যোগ দেন এবং ১৯৯০ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিষ্ঠিত তৃণমূল কংগ্রেস-এর প্রথম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান, যা তার রাজনৈতিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

২০০৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুর আসন থেকে লোকসভা সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০১১ সালে ভারতের রেলমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

রাজনৈতিক জীবনের একপর্যায়ে ২০২১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে ভারতীয় জনতা পার্টি-তে যোগ দেন এবং বর্তমানে এই দলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

ব্যক্তিগত জীবনে গুজরাতি পরিবারে জন্ম নেওয়া দীনেশ ত্রিবেদী কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে স্নাতক এবং যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বাংলা ভাষায় সাবলীল হওয়ায় এবং পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কারণে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট বুঝতে তিনি সুবিধা পাবেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক দক্ষতার কারণে তাকে বাংলাদেশের মতো গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মিশনে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এএন

Link copied!