আমার সংবাদ ডেস্ক
জুন ৬, ২০২৬, ০৬:৫৬ পিএম
তুরস্ক ও বাংলাদেশের বন্ধুত্বকে কঠিন সময়ে পারস্পরিক সংহতির উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তিনি বলেন, সাধারণ স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দুই দেশ একে অপরের পাশে দাঁড়ালে এই সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।
শনিবার (৬ জুন) এক বার্তায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
ঢাকা সফর শেষে দেওয়া বার্তায় হাকান ফিদান জানান, এশিয়া-প্যাসিফিক সফরের চতুর্থ ও শেষ গন্তব্য ছিল বাংলাদেশ। সেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে অভ্যর্থনা জানান। তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গেও বিস্তারিত বৈঠক করেন।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর বাংলাদেশ নতুন এক অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে এবং দেশের উন্নয়ন, শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যা তিনি সফরকালে পর্যবেক্ষণ করেছেন।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে এবং ভবিষ্যতে সব ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি রয়েছে।
তিনি বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ ও জনগণকে, বিশেষ করে ড. খলিলুর রহমানকে উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে তিনি সম্প্রতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অভিনন্দন জানান।
কক্সবাজার সফরের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করে তিনি সেখানে তুরস্কের বিভিন্ন মানবিক সংস্থার কার্যক্রম দেখেছেন। ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ যে মানবিক দায়িত্ব পালন করছে, তা প্রশংসনীয়।
হাকান ফিদান আরও বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী ও ন্যায়সঙ্গত সমাধান খুঁজে বের করা এখন সময়ের দাবি।
তিন দিনের সফর শেষে শনিবার ঢাকা ত্যাগ করেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
এম জি