ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

তিন দিন পর কথা বলেছেন খালেদা জিয়া

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

নভেম্বর ৩০, ২০২৫, ১২:৫৮ পিএম

তিন দিন পর কথা বলেছেন খালেদা জিয়া

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা টানা তিন দিন ধরে প্রায় একই রকম রয়েছে। তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও চিকিৎসকদের মতে, বর্তমানে তাঁর শারীরিক সক্ষমতা বিদেশ সফরের চাপ নেওয়ার মতো নয়।

গত বুধবার থেকে খালেদা জিয়া খুব বেশি সাড়া না দিলেও শনিবার তিনি অল্প কিছু কথা বলেছেন। শনিবার সকালের দিকে সিসিইউতে খালেদা জিয়ার শয্যা পাশে থাকা ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমানের সঙ্গে তিনি সামান্য কথা বলেন।

চিকিৎসকদের মতে, অবস্থা এখন স্থিতিশীল। তাঁর কিডনির নিয়মিত ডায়ালাইসিস চলছে। শনিবার রাতেও একটি ডায়ালাইসিস সম্পন্ন হয়, এরপর অবস্থায় কিছুটা স্থিতিশীলতা আসে।

মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা জানিয়েছেন, আগামী কয়েক দিন তাঁর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিডনির কার্যক্ষমতায় স্থিতিশীলতা না এলে স্থায়ী উন্নতি কঠিন হবে।

গত ২৩ নভেম্বর তাঁকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার গভীর রাতে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। বোর্ডের এক সদস্য জানান, খালেদা জিয়াকে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। তিনি হাত-পা নাড়াতে পারছেন এবং শনিবার অল্প কথা বলেছেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শনিবার বলেন, খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে ভিসা, বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ এবং এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের বিষয়ে কাজ চলছে। তিনি এখনো ‘সংকটাপন্ন’ অবস্থায় আছেন।

দলের একটি সূত্র জানায়, আগামী সোমবার চীনের একটি চিকিৎসক দল ঢাকায় আসতে পারেন। তাঁরা খালেদা জিয়ার অবস্থা পর্যালোচনা করবেন।

মেডিকেল বোর্ডের আরেক চিকিৎসক জানান, তাঁর হৃদযন্ত্রে জটিলতা দেখা দিয়েছে এবং অগ্ন্যাশয়ের তীব্র প্রদাহ পরিস্থিতি জটিল করেছে। বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদার বলেন, তিনি স্থিতিশীল থাকলেও শঙ্কামুক্ত নন।

খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. জাহিদ হোসেন জানান, তিন দিন ধরে তাঁর অবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই। তাঁকে সিসিইউতে রাখা হয়েছে।

খালেদা জিয়া ফুসফুসে সংক্রমণ ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে নিউমোনিয়া ধরা পড়ে। পূর্ববর্তী কিডনি, লিভার, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসের জটিলতা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে।

খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ড আমেরিকার জনস হপকিনস হাসপাতালের চিকিৎসক, লন্ডন ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ সৌদি আরব ও চীনের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে অনলাইনে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। পরিবার তাঁকে লন্ডন বা সিঙ্গাপুরে নেওয়ার আগ্রহী। চীন থেকেও প্রস্তাব এসেছে। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের বিষয়ে কুয়েত ও সিঙ্গাপুরে যোগাযোগ চলছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মেডিকেল বোর্ড ও তাঁর শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করবে।

জেএইচআর

Link copied!