ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
হাসনাত আব্দুল্লাহ

ব্যাংক ডাকাত ও ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে জনগণের যুদ্ধ শুরু হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম

ব্যাংক ডাকাত ও ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে জনগণের যুদ্ধ শুরু হয়েছে

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ আসনের রাজনৈতিক সমীকরণ এক নাটকীয় মোড় নিয়েছে। দেশের শীর্ষ ঋণখেলাপিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ ঠেকাতে আইনি লড়াইয়ে বড় জয় পেয়েছেন ১১-দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী ও এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ। আপিল বিভাগ কর্তৃক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিলের আদেশ বহাল রাখার পর এক প্রতিক্রিয়ায় হাসনাত আব্দুল্লাহ হুঙ্কার দিয়ে বলেছেন, কোনো ধরনের ভয়ভীতি বা এজেন্সির হয়রানি তাকে ন্যায়ের পথ থেকে বিচ্যুত করতে পারবে না।

রোববার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদেশের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তার এই বক্তব্য এখন রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

হাসনাত আব্দুল্লাহ তার প্রতিক্রিয়ায় বর্তমান নির্বাচনী ব্যবস্থায় কালো টাকা ও ব্যাংক ঋণের অপব্যবহার নিয়ে কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষের আমানত লুণ্ঠন করে যারা নির্বাচনের মৌসুমে 'জনসেবক' সেজে ভোট চাইতে আসে, তাদের মুখোশ উন্মোচন হয়েছে। বাংলাদেশের সচেতন মানুষ এখন এদের বিরুদ্ধে জেগে উঠেছে। ১৩০ কোটি টাকার বেশি ঋণ আত্মসাৎ করে কেউ পার পাবে না।
তিনি আরও যোগ করেন, অনেকে হয়তো এই অনিয়মের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন, কিন্তু রাষ্ট্রীয় এজেন্সির হয়রানি কিংবা পেশিশক্তির ভয়ে পিছিয়ে গেছেন। আমি সেই ভয়কে জয় করেছি।

মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে করা মামলার দীর্ঘ পথ পরিক্রমা তুলে ধরে হাসনাত বলেন, এই আইনি লড়াই চলাকালীন আমার আইনজীবীদের নানাভাবে হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমাকে সরাসরি এবং পরোক্ষভাবে ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে যাতে আমি মামলাটি প্রত্যাহার করি। কিন্তু তারা জানে না, হাসনাত আব্দুল্লাহর মেরুদণ্ড অন্যায়ের কাছে মাথা নত করার জন্য তৈরি হয়নি।

তিনি এই লড়াইকে কেবল নিজের ব্যক্তিগত জয় হিসেবে দেখতে নারাজ। হাসনাত বলেন, এটা কেবল আমার আর মুন্সীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়; এটা হলো ব্যাংক ডাকাত বনাম সাধারণ জনগণের যুদ্ধ। এই রায়ের মাধ্যমে পুরো বাংলাদেশ একটি বার্তা পেল যে—আইন সবার জন্য সমান।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অতীত ইতিহাস টেনে হাসনাত আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন, ২০০৪-০৫ সালে নেওয়া প্রায় ১৩০ কোটি টাকার ঋণ গত দুই দশকেও পরিশোধ করেননি মুন্সী। তিনি বলেন, একজন মানুষ ২০ বছর ধরে ঋণের টাকা আটকে রেখে বারবার উচ্চ আদালতকে ব্যবহার করে নির্বাচনের বৈতরণী পার হওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু সত্যের জয় অবধারিত। এর আগে ২০০৮ সালেও তিনি একই অপরাধের কারণে নির্বাচন করতে পারেননি।

উল্লেখ্য, আপিল বিভাগের আজকের আদেশের ফলে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা চিরতরে হারিয়েছেন।

কুমিল্লা-৪ আসনে শক্তিশালী একজন প্রার্থীর বিদায় হাসনাত আব্দুল্লাহর জন্য মাঠ অনেকটা পরিষ্কার করে দিলেও, তিনি ভোটারদের প্রতি সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তার মতে, ব্যাংক ডাকাতরা পরাজিত হলেও তাদের প্রেতাত্মারা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যেতে পারে।

ব্যাংক ডাকাতদের হাত থেকে সংসদকে রক্ষা করার আহ্বান। |হাসনাত আব্দুল্লাহর এই আইনি জয় কেবল কুমিল্লা-৪ আসনে নয়, বরং সারা দেশের অন্যান্য আসনে যেখানে ঋণখেলাপিরা প্রার্থী হয়েছেন, সেখানে একটি শক্তিশালী নজির হিসেবে কাজ করবে। নির্বাচনের আগ মুহূর্তে এই রায় ভোটারদের মধ্যে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের নতুন এক আশার আলো সঞ্চার করেছে।

এএন

Link copied!