ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

যে কারণে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দিয়েছিলেন তোফায়েল আহমেদ

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুন ১, ২০২৬, ০৫:০৪ পিএম

যে কারণে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দিয়েছিলেন তোফায়েল আহমেদ

রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮২ বছর বয়সে মারা গেছেন সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ। সোমবার বিকেলে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। 

তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুর খবরের পরপরই রাজনৈতিক মহলে শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে তাঁর দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠতা ও রাজনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে এক গণসংবর্ধনা সভায় শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেন তৎকালীন ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ। কোনো বড় ঐতিহাসিক ঘটনা বা আদর্শিক কারণে এই উপাধি রাতারাতি তৈরি হয়নি, বরং এর পেছনে ছিল তৎকালীন পাকিস্তানি জান্তা সরকারের রাজনৈতিক ভুল এবং ছাত্রনেতাদের আবেগ।

মূলত ১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা দাবি পেশ করার পর তৎকালীন আইয়ুব খান সরকার তাকে কারাগারে পাঠায়। পরবর্তীতে ১৯৬৮ সালে তার বিরুদ্ধে 'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' দায়ের করা হয়। 

আইয়ুব সরকারের এই অতিরিক্ত দমনপীড়ন ও মামলাটি সামাল দিতে না পারা ছিল তাদের এক মস্ত বড় রাজনৈতিক বোকামি। এই মামলার কারণে শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ মানুষের কাছে ভুক্তভোগী হিসেবে বাড়তি সহানুভূতি পেতে শুরু করেন।

একই সময়ে পূর্ব পাকিস্তানে আইয়ুব সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। আন্দোলনের মুখে টিকতে না পেরে ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে শেখ মুজিবসহ বাকিদের মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

কারাগার থেকে বের হওয়ার পরদিনই তোফায়েল আহমেদের নেতৃত্বাধীন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ রেসকোর্স ময়দানে এক বিশাল সমাবেশের আয়োজন করে। রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে এবং জনজোয়ারের আবেগকে কাজে লাগিয়ে জনপ্রিয়তা পাওয়ার জন্য তৎকালীন ছাত্রনেতারা একটি চমকপ্রদ স্লোগান খুঁজছিলেন।

সেই উদ্দেশ্য থেকেই মাত্র ২৫ বছর বয়সী তরুণ ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ মঞ্চে দাঁড়িয়ে অতি-আবেগীয় বক্তব্য দেওয়া শুরু করেন। বক্তৃতার একপর্যায়ে তিনি শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' (বাংলার বন্ধু) হিসেবে ঘোষণা করেন। লাখো জনতার ভিড়ে তৈরি হওয়া সেই আবেগ নিমেষেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 

এএন

Link copied!