ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

আজ পবিত্র হজ

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মে ২৬, ২০২৬, ১০:১৪ এএম

আজ পবিত্র হজ

পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতার দিন আজ মঙ্গলবার (২৬ মে), যা ৯ জিলহজ হিসেবে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। লাখো হাজি ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মক্কা, মিনা ও আরাফাতের ময়দান মুখরিত করে তুলেছেন। 

এর আগে গতকাল সোমবার পুরো দিন ও রাত আল্লাহর মেহমানরা তাঁবুর শহর মিনায় ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল ছিলেন। আজ ফজরের নামাজ শেষ করেই বিশেষ বাস ও ট্রেনযোগে তারা ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানের দিকে রওনা হন, যেখানে তাদের যাতায়াত সহজ করতে সৌদি প্রশাসন প্রায় ২৪ হাজার বাসের ব্যবস্থা করেছে।

আজ হজের মূল আকর্ষণ হলো আরাফাতের ময়দানের মসজিদে নামিরা থেকে দেওয়া হজের খুতবা। এ বছর খুতবা দেওয়ার দায়িত্বে রয়েছেন মসজিদুল হারামের সম্মানিত ইমাম ও খতিব শায়খ আলি আল হুদাইফি, যা বাংলাসহ বিশ্বের ৩৫টি ভাষায় সরাসরি অনুবাদ করে সম্প্রচার করা হচ্ছে। 

খুতবা পাঠের পর এক আজান ও দুই ইকামতের মাধ্যমে জোহর এবং আসরের নামাজ একসঙ্গে আদায় করবেন মুসল্লিরা। এরপর সূর্যাস্ত পর্যন্ত এই ঐতিহাসিক বিদায় হজের স্মৃতিবিজড়িত ময়দানে অবস্থান করে তারা মহান আল্লাহর দরবারে গুনাহ মাফের জন্য আকুল আবেদন ও বিশেষ মোনাজাত জানাবেন।

সূর্যাস্তের পর মাগরিবের নামাজ না পড়েই হাজিরা মুজদালিফার দিকে যাত্রা করবেন এবং সেখানে গিয়ে মাগরিব ও এশার নামাজ একসঙ্গে আদায় করে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাবেন। মিনায় শয়তানকে প্রতীকী পাথর নিক্ষেপের জন্য প্রয়োজনীয় কংকর বা পাথর তারা এই মুজদালিফা থেকেই সংগ্রহ করবেন। 

পরদিন বুধবার (১০ জিলহজ) সকালে আবার মিনায় ফিরে হাজিরা পর্যায়ক্রমে বড় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ, পশু কোরবানি, মাথা মুণ্ডন এবং কাবা শরিফ তাওয়াফে জিয়ারতের মতো গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতাগুলো সম্পন্ন করবেন। পরবর্তী দিনগুলোতেও মিনায় অবস্থান করে তিন শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ এবং সবশেষে বিদায়ি তাওয়াফের মাধ্যমে জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই ইবাদতের সমাপ্তি ঘটবে।

এবারের হজে তীব্র গরমের মুখোমুখি হতে হচ্ছে হাজিদের, যেখানে সোমবারের গড় তাপমাত্রা ছিল ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই প্রচণ্ড গরমে হাজিদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে সৌদি আরবের ৪০টিরও বেশি সরকারি সংস্থা এবং আড়াই লাখ কর্মকর্তা মাঠ পর্যায়ে দিনরাত কাজ করছেন। 

পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির অংশ হিসেবে এবারের হজ ব্যবস্থাপনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চালিত ড্রোন ক্যামেরা ও বিশাল তথ্য বিশ্লেষণব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছে। 

উল্লেখ্য, এ বছর বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৮ হাজারের বেশি হজযাত্রী পবিত্র হজে অংশ নিয়েছেন, যাদের সুবিধার্থে মিনা ও আরাফাতে পৃথক আবাসনব্যবস্থা, চব্বিশ ঘণ্টা চিকিৎসা সহায়তা এবং বাংলাদেশ হজ মিশনের নিবিড় তদারকি চালু রয়েছে।

এএন

Link copied!