ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

চাঁদে স্থায়ী ঘাঁটি গড়ার মহাপরিকল্পনা নাসার

প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রযুক্তি ডেস্ক

মে ২৭, ২০২৬, ১০:২৩ এএম

চাঁদে স্থায়ী ঘাঁটি গড়ার মহাপরিকল্পনা নাসার

চাঁদে মানব উপস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী করার লক্ষ্যে এক নতুন ও যুগান্তকারী পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা। এই মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে চাঁদের বুকে পাঠানো হবে অত্যাধুনিক রোবোটিক ল্যান্ডার, বিশেষ যান এবং উড়ন্ত 'হপিং ড্রোন'।

বিবিসির এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বিশাল প্রকল্প বাস্তবায়নে বেশ কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করেছে নাসা। যার মধ্যে অন্যতম শীর্ষ ধনী জেফ বেজোসের মালিকানাধীন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘ব্লু অরিজিন’।

যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই অর্থাৎ ২০২৯ সালের মধ্যে আবারও আমেরিকান নভোচারীদের চাঁদের মাটিতে অবতরণ করানো। তবে এই যাত্রায় যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ও প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে দাঁড়িয়েছে চীন।

পেইচিং ২০৩০ সালের মধ্যেই নিজস্ব প্রযুক্তিতে চাঁদে মানুষ পাঠানোর মিশন নিয়ে দ্রুত গতিতে কাজ করছে। এর ধারাবাহিকতায় গত সোমবার (২৫ মে) তারা ‘শেনঝৌ-২৩’ মহাকাশযান সফলভাবে উৎক্ষেপণ করেছে, যা তাদের তিয়ানগং স্পেস স্টেশনে নতুন নভোচারী দল পৌঁছে দিয়েছে।

এর আগে গত মার্চ মাসে নাসা তাদের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করেছিল। ২০৩২ সালের মধ্যে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পারমাণবিক ও সৌরশক্তি চালিত একটি স্থায়ী ঘাঁটি নির্মাণ করতে যাচ্ছে তারা, যার বাজেট ধরা হয়েছে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার।

এই বিষয়ে নাসার অ্যাডমিনিস্ট্রেটর জ্যারেড আইজ্যাকম্যান গতকাল মঙ্গলবার (২৬ মে) জানান, এই উদ্যোগের ফলে চাঁদ নিয়ে গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্র বহুদূর এগিয়ে যাবে। এই স্থায়ী ঘাঁটি নির্মিত হলে সেখানে গভীর বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালানো, মূল্যবান খনিজ সম্পদের সন্ধান এবং ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানব অভিযানের পথ অনেক সহজ হবে।

নাসার এই বিশাল পরিকল্পনা ও সময়সীমা নিয়ে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের মধ্যে কিছুটা সংশয় রয়েছে। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, ২০২৯ সালের মধ্যে ল্যান্ডিং করার এই লক্ষ্য পুরোপুরি বাস্তবসম্মত নয়। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপোলো-পরবর্তী নতুন চন্দ্র অভিযান ‘আর্টেমিস-২’ সফল হয়েছে, তাও বিজ্ঞানীদের একাংশের ধারণা— প্রযুক্তির দৌড়ে চীনই হয়তো প্রথম দেশ হিসেবে আবারও চাঁদে মানুষ নামাতে পারে।

ইউনিভার্সিটি অব ওপেনের লুনার সায়েন্টিস্ট ড. সিমিওন বার্বার এই প্রসঙ্গে জানান, নাসা বর্তমানে বেশ কিছু প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। বিশেষ করে তাদের ল্যান্ডিং প্রযুক্তির অনিশ্চয়তার কারণে এই প্রতিযোগিতায় চীন মার্কিনদের চেয়ে এগিয়ে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

এএন

Link copied!