ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

বুর্জ খলিফার চেয়েও বেশি খরচে তৈরি ‘জিটিএ সিক্স’!

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

জুন ২৭, ২০২৬, ০৪:০৬ পিএম

বুর্জ খলিফার চেয়েও বেশি খরচে তৈরি ‘জিটিএ সিক্স’!

ভিডিও গেমপ্রেমীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে আলোচনায় থাকা ‘গ্র্যান্ড থেফট অটো সিক্স (জিটিএ সিক্স)’ আগামী ১৯ নভেম্বর ২০২৬ বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাবে বলে নিশ্চিত করেছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রকস্টার গেমস। এছাড়া চলতি সপ্তাহ থেকেই গেমটির প্রি-অর্ডার কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

গেমটি মুক্তির আগেই এর নির্মাণ ব্যয় নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও রকস্টার গেমস আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বাজেট প্রকাশ করেনি, তবে গেমিং শিল্প সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিশ্লেষণ ও ফাঁস হওয়া তথ্য অনুযায়ী, জিটিএ সিক্স তৈরিতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ কোটি মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮ থেকে ২৪ হাজার কোটি টাকা।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ব্যয় ভিডিও গেমের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এমনকি হলিউডের ‘অ্যাভাটার’, ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ এবং ‘স্টার ওয়ারস: দ্য ফোর্স অ্যাওয়েকেনস’—এই তিনটি ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্রের সম্মিলিত নির্মাণ ব্যয়ের চেয়েও বেশি বলে দাবি করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবন বুর্জ খলিফা নির্মাণেও এর চেয়ে কম অর্থ ব্যয় হয়েছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

শুধু বাজেট নয়, নির্মাণকালেও রেকর্ড গড়েছে গেমটি। দুবাইয়ের বুর্জ খলিফা নির্মাণ শেষ করতে যেখানে প্রায় ছয় বছর সময় লেগেছিল, সেখানে জিটিএ সিক্স তৈরি করতে রকস্টার গেমস ব্যয় করেছে ১২ বছরেরও বেশি সময়।

বুর্জ খলিফা নির্মাণে হাজার হাজার শ্রমিক, প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার ঘনমিটার কংক্রিট এবং ৫৫ হাজার টন স্টিল ব্যবহার করা হয়েছিল। অন্যদিকে, জিটিএ সিক্স তৈরিতে সফটওয়্যার প্রকৌশলী, থ্রিডি অ্যানিমেটর, ভয়েস শিল্পী এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত একটি বড় বৈশ্বিক দল কাজ করেছে। গেমটির প্রতিটি অংশ বাস্তবসম্মত করে তুলতে তারা লাখ লাখ লাইনের কোড লিখেছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিপুল নির্মাণ ব্যয়ের অন্যতম কারণ হলো গেমটির সূক্ষ্ম বাস্তবধর্মী পরিবেশ। ভার্চুয়াল শহরের প্রতিটি পামগাছের ছায়া, গাড়ির কাচে আলোর প্রতিফলন, এমনকি হাজার হাজার ভার্চুয়াল নাগরিকের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডও আলাদাভাবে প্রোগ্রামিং করা হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিশ্বজুড়ে প্রচারণা পরিচালনার জন্য বিশাল বিপণন ব্যয়।

তবে এত বড় বিনিয়োগ নিয়ে নির্মাতাদের উদ্বেগ কম। কারণ, ২০১৩ সালে মুক্তি পাওয়া জিটিএ ফাইভ মাত্র তিন দিনেই ১০০ কোটি মার্কিন ডলার আয় করে ইতিহাস গড়েছিল। এছাড়া গত এক দশকে গেমটির ইন-গেম পারচেজ থেকে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার আয় করেছে।

বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা, আগামী নভেম্বরে জিটিএ সিক্স বাজারে আসার পর মাত্র কয়েক দিনের বিক্রিতেই এর আনুমানিক ২০০ কোটি ডলারের নির্মাণ ব্যয় উঠে আসতে পারে।

এএন

Link copied!