ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

টিকিটের পাহাড় ডিঙিয়ে মাঠের লড়াইয়ে ফুটবল বিশ্ব: ২০২৬ বিশ্বকাপের সব আসনই ‘বিক্রি’

স্পোর্টস ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ০৭:০৬ পিএম

টিকিটের পাহাড় ডিঙিয়ে মাঠের লড়াইয়ে ফুটবল বিশ্ব: ২০২৬ বিশ্বকাপের সব আসনই ‘বিক্রি’

ফুটবল মহাযজ্ঞের আর মাত্র চার মাস বাকি থাকলেও মাঠের লড়াই শুরুর আগেই গ্যালারির লড়াইয়ে জয়ী হয়ে গেছে ফিফা। ইতিহাসের বৃহত্তম এবং প্রথমবারের মতো ৪৮ দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ১০৪টি ম্যাচের সব টিকিটই ইতোমধ্যে বিক্রি শেষ বলে নিশ্চিত করেছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ আয়োজনে হতে যাওয়া এই আসর নিয়ে বিশ্বজুড়ে যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে, তা ফুটবল ইতিহাসের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।

ফিফা কর্তৃক প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী জানুয়ারিতে শেষ হওয়া মূল বিক্রয় পর্বের মাত্র চার সপ্তাহে টিকিটের জন্য আবেদন জমা পড়েছে প্রায় ৫০ কোটি ৮০ লাখের বেশি। বিপরীতে ফিফার হাতে বরাদ্দ দেওয়ার মতো আসন ছিল মাত্র ৭০ লাখের কাছাকাছি। অর্থাৎ প্রতিটি আসনের বিপরীতে প্রায় ৭২ জন করে ফুটবলপ্রেমী আবেদন করেছেন। এই বিশাল ব্যবধানের মধ্যেই লটারির মাধ্যমে অধিকাংশ টিকিট বরাদ্দ সম্পন্ন করা হয়েছে।

ফ্লোরিডার মার আ লাগো রিসোর্ট থেকে দেওয়া এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেন, আমরা যা দেখছি তা অবিশ্বাস্য। ১০৪টি ম্যাচের মধ্যে ৭৭টি ম্যাচের প্রতিটিতেই ১০ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। এটি শুধু একটি খেলা নয়, এটি একটি বৈশ্বিক উৎসবে পরিণত হয়েছে। যারা এখনো টিকিট পাননি, তাদের জন্য ফিফা আশার আলো জিইয়ে রেখেছে।

ফিফা জানিয়েছে সব ম্যাচের টিকিট বরাদ্দ হয়ে গেলেও একটি কৌশলগত অংশ ইচ্ছাকৃতভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। আগামী এপ্রিল ২০২৬ থেকে একটি নতুন বিক্রয়পর্ব শুরু হবে। এই ধাপে লটারি নয়, বরং আগে এলে আগে পাবেন ভিত্তিতে টিকিট কেনা যাবে। এই সুযোগ থাকবে টুর্নামেন্টের ফাইনালের দিন অর্থাৎ ১৯ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত।

৪৮ দলের এই আসর অনেক কারণেই ইতিহাসে অনন্য হতে যাচ্ছে। পূর্বের তুলনায় ম্যাচ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৪টিতে, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। তিনটি দেশের ১৬টি ভিন্ন শহরে খেলা অনুষ্ঠিত হবে। ফিফা আশা করছে এই বিশ্বকাপ থেকে প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলারের বেশি রাজস্ব অর্জিত হবে। এছাড়া উত্তর আমেরিকার অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়বে প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলারের মতো।

টিকিটের উচ্চমূল্য ও চাহিদা নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে কিছুটা ক্ষোভও বিরাজ করছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে ডাইনামিক প্রাইসিং পদ্ধতির কারণে টিকিটের দাম চাহিদা অনুযায়ী ওঠানামা করছে। ফিফা প্রধানের মতে এটি বর্তমান বাজার ব্যবস্থার অংশ। ইতোমধ্যে পুনর্বিক্রয় প্ল্যাটফর্মগুলোতে ফাইনালসহ হাই ভোল্টেজ ম্যাচগুলোর টিকিটের দাম আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছে।

আগামী ১১ জুন মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী এবং ১৯ জুলাই নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে এই আসরের। টিকিটের এই সোনার হরিণ নিয়ে লড়াই প্রমাণ করে যে উত্তর আমেরিকার মাটিতে ফুটবল তার নতুন সাম্রাজ্য বিস্তার করতে প্রস্তুত। যারা এপ্রিলের শেষ ধাপে টিকিটের চেষ্টা করবেন, তাদের জন্য ফিফা আইডিতে আগেভাগেই নিবন্ধন করে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জেএইচআর

Link copied!