ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

রমজানে চড়া পণ্যের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ১২:১৪ এএম

রমজানে চড়া পণ্যের দাম

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে গত ২ থেকে ৩ দিনের চেয়ে কমেছে কাঁচামালের দাম। তবে লেবু, শসা ও বেগুনের বিক্রি বাড়তি দামে। বিক্রেতারা বলছেন, কাঁচামালের চাহিদা কমায় পরিবর্তন এসেছে সরবরাহে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, খুচরা বাজারে এখনও বেশ কিছু পণ্যের দাম বেশি।

রাত যত গভীর হয়, ততোই যেন নিদ্রাহীনতা বাড়ে পাইকারি বাজারের বিক্রেতাদের চোখে। রমজানের রাতেও ব্যস্ত সময় পার করতে হয় জীবন-জীবিকার তাগিদে।

এদিকে গেল কয়েকদিন কাঁচামালের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও রমজানের দ্বিতীয় দিনে কিছুটা কমেছে দাম। কুমড়া প্রতি কেজি ১৬ থেকে ২০ টাকা, মুলা ১২ থেকে ২০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে বেড়েছে কিছু রোজার পণ্যের দাম। বেগুন ৭০ থেকে ১২০ টাকা, শশা ৭০ থেকে ১২০ টাকা, লেবু প্রতি হালি ৮০ থেকে ১২০ টাকাতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পেঁয়াজ কেজিতে ১০ টাকা কমে ৪০ টাকায় নেমেছে।

একদিকে ছুটির দিন উপলক্ষে সপ্তাহের বাজার এবং অন্যদিকে ইফতারের বিশেষ আয়োজনের চাহিদাকে সামনে রেখে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে মাছ-মাংসের দামে চড়া ভাব দেখা গেছে।

বিশেষ করে সোনালি মুরগি, গরুর মাংস ও মাঝারি মানের বেশ কয়েকটি মাছের দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৪০ টাকা কেজিতে। এক সপ্তাহ আগেও এ মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকায় পাওয়া গেছে। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২০০-২১০ টাকা পর্যন্ত দরে, যা গত সপ্তাহেও ১৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এ ছাড়া লাল লেয়ার ৩৩০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অপরদিকে, গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজিতে, যা রোজার আগে ছিল ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকা। অর্থাৎ কেজিতে প্রায় ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। খাসির মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে; প্রতি কেজি ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই। মাঝারি আকারের রুই ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা কেজি, কাতলা ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাঙ্গাস ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইলিশের দাম আকারভেদে ১ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে। এছাড়া শিং ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, মাগুর ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকা এবং চিংড়ি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে ডিমের বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল। প্রতি ডজন ডিম ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহের সমান। বিক্রেতারা বলছেন, ডিমের সরবরাহ ঠিক থাকায় আপাতত দাম বাড়েনি।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, রোজার শুরুতেই চাহিদা বাড়ায় মাছ-মাংসের বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। সামনে পুরো মাসজুড়ে এ ধারা থাকবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন ক্রেতারা। তাদের আশঙ্কা, যদি সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকে, তাহলে রোজার মাঝামাঝি সময়ে দাম আরও বাড়তে পারে।

এদিকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে না হতেই চট্টগ্রামের বাজারে নিত্যপণ্যের দাম আকাশ ছুঁয়েছে। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজ, রসুন ও আদার পাশাপাশি ইফতারের জন্য অতিপ্রয়োজনীয় শসা, বেগুন ও লেবুর দাম কেজিতে ২০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। চাহিদাকে পুঁজি করে নিত্যপণ্যের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষ।

চট্টগ্রামের খুচরা বাজারে চার দিন আগেও যে শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, আজ (শুক্রবার) তা বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায়। ৪০ টাকার টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা দরে। এ ছাড়া ৪০ টাকার বেগুন কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়।

গত রোববার ভারতীয় পেঁয়াজ ৭০ টাকায় বিক্রি হলেও মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে তা ১০০ টাকায় ঠেকেছে। পেঁয়াজের পাশাপাশি রসুন ও আদার দামও বেড়েছে অস্বাভাবিক হারে। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, গত রোববার ১৬৫ টাকায় বিক্রি হওয়া রসুনের দাম বর্তমানে ২০০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। একইভাবে ৫৫ টাকা দরে বিক্রি হওয়া দেশি পেঁয়াজ এখন ৬৫ টাকা এবং পুরাতন মোটা পেঁয়াজ ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

পাইকারি বাজারে সরবরাহে ঘাটতি থাকার কথা জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৫৮ থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি হলেও ভারতীয় পেঁয়াজ নেই বললেই চলে। অল্প পরিমাণে যা পাওয়া যাচ্ছে, তার পাইকারি দামই পড়ছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকা। এ ছাড়া চায়না রসুন ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা, দেশি রসুন ৯০ টাকা এবং আদা (চায়না ও ভারতীয়) ১০৫ টাকায় পাইকারি দরে বিক্রি হচ্ছে।

জেএইচআর

Link copied!