ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

গ্রামীণ অর্থনীতি জোরদারে কৃষিতে বরাদ্দ বাড়ানোর তাগিদ রিজভীর

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুন ২৯, ২০২৬, ০৫:৫৮ পিএম

গ্রামীণ অর্থনীতি জোরদারে কৃষিতে বরাদ্দ বাড়ানোর তাগিদ রিজভীর

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত ও গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করতে জাতীয় বাজেটে কৃষিখাতে বরাদ্দ বাড়ানো, আধুনিক হিমাগার স্থাপন এবং কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। 

সোমবার রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে এগ্রিকালচারিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এ্যাব) আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এই আহ্বান জানান। ‘বাজেট ২৬-২৭; কৃষি উন্নয়নের রূপরেখা ও বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এই সেমিনারে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ কর্মসংস্থান এখনো কৃষিকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। তাই খাদ্য নিরাপত্তা ও গ্রামীণ অর্থনীতি সচল রাখতে কৃষিখাতে বাজেট বৃদ্ধির পাশাপশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও পর্যাপ্ত গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। প্রস্তাবিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেটের প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, বাজেটে ৪২ লাখ ৫০ হাজার কৃষককে কৃষি কার্ড দেওয়ার যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা গ্রামীণ অর্থায়নে একটি বড় ভূমিকা রাখবে। তবে সামগ্রিক বাজেট ১৭.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও সেই তুলনায় কৃষিখাতে ৪৩ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ মূল্যস্ফীতির নিরিখে খুব বেশি নয়।

আলোচনায় আলু ও পেঁয়াজের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, এই পণ্যগুলো মৌসুমে কখনো সিন্ডিকেটের কারণে, আবার কখনো সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়। ভিয়েতনাম এবার আমাদের দেশ থেকে আলু নিচ্ছে এবং সেখানে আরও বড় বাজারের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে আন্তর্জাতিক মানের হিমাগার প্রযুক্তি আমদানি করে দেশের উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে দ্রুত স্থাপন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে আদা, রসুন ও গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষ বাড়িয়ে আমদানি নির্ভরতা কমানোর তাগিদ দেন তিনি।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কৃষি খাতের কয়েকটি ইতিবাচক উদ্যোগের প্রশংসা করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে কৃষক কার্ড চালু, ক্ষুদ্র কৃষিঋণের সুদ মওকুফ, ডাল, তেলবীজ ও ভুট্টা চাষে স্বল্পসুদে ঋণ, সৌরচালিত সেচ পাম্প স্থাপন, বরেন্দ্র অঞ্চলে আম সংরক্ষণের হিমাগার নির্মাণ, উত্তরবঙ্গকে আধুনিক কৃষি হাব হিসেবে গড়ে তুলতে বিশেষ বরাদ্দ এবং কৃষি উপকরণ আমদানিতে ভ্যাট ও শুল্ক ছাড়। তবে প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেটে কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ এবং বন ও পরিবেশ খাতে মোট ৩৩ হাজার ৮৪৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হলেও জাতীয় বাজেটে কৃষি খাতের অংশ ধারাবাহিকভাবে কমছে। নতুন অর্থবছরে তা প্রায় ৩ দশমিক ৮ শতাংশে নেমে এসেছে।

অনুষ্ঠানে কৃষি খাতের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের জন্য চারটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এগুলো হল- জাতীয় বাজেটের অন্তত ১০ শতাংশ কৃষি গবেষণা, সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ করা; পচনশীল কৃষিপণ্যের অপচয় রোধে আধুনিক কোল্ড চেইন ও হিমাগার নির্মাণ; ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের সহজ শর্তে প্রাতিষ্ঠানিক কৃষিঋণ নিশ্চিত করা এবং স্মার্ট কৃষি, বাজার তথ্য ও আবহাওয়া সেবাসহ ডিজিটাল কৃষির জন্য পৃথক বাজেট বরাদ্দ রাখা। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ সংস্থান ও ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান ড. মো. আক্তারুজ্জামান খান।

জেএইচআর

Link copied!