ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

চিত্তরঞ্জনের তালবীজ-চারা রোপণের ১৪ বছর

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি

সেপ্টেম্বর ২, ২০২৩, ০২:১১ পিএম

চিত্তরঞ্জনের তালবীজ-চারা রোপণের ১৪ বছর

যশোরের অভয়নগরে সড়কের পাশে ১৪ বছর ধরে নিভৃতে তালবীজ ও চারা রোপণ করে চলেছেন চিত্তরঞ্জন দাস। তার এই মহতী উদ্যোগের কারণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম আবু নওশাদ তার রোপণ করা তালের চারা পরিদর্শন করেছেন।

শুক্রবার দুপুরে উপজেলার ধোপাদী ধোপাপাড় থেকে গোবিন্দপুরের সড়কে চিত্তরঞ্জনে সাথে থেকে তিনি নিজেও তালের বীজ লাগান।

জানা যায় , উপজেলার ধোপাদী গ্রামের মৃত শিশুবর দাসের ছেলে তালগাছ প্রেমী চিত্তরঞ্জন দাস। ৫৫ হাজার তালের চারা রোপণ করে অনন্য দৃষ্ঠান্ত স্থাপন করেছেন ধোপাদী গ্রামের হতদরিদ্র এই কৃষক। দেশে বজ্রপাতে প্রাণহানি ঠেকাতে তালের বীজ ও চারা লাগানো নিয়ে সাম্প্রতি বেশ আলোচনা হলেও ১৪ বছর আগে নীরবে নিভৃতে এ কাজ শুরু করেছিলেন চিত্তরঞ্জন দাস। অন্যদের ফেলা দেয়া তালের বীজ সংগ্রহ করে নিজ খরচে এ পর্যন্ত ৫৫ হাজার তালের চারা লাগিয়েছেন তিনি। বিভিন্ন ভাবে এই বীজ নষ্ট হয়েছে, নষ্ট হয়েছে চারাও। এমনকি গাছও নষ্ট হয়েছে কিন্তু হাল ছাড়েননি চিত্ত রঞ্জন দাস।

পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক মেম্বার ইকবাল হোসেন, সমাজসেবক হরে কৃষ্ণ দাস, আইয়ুব খান সহ আরো অনেকেই।

ধোপাদী গ্রামের আয়ুব খান জানান, আমরা বিলে ধান চাষাবাদ করি, ঘাস কেটে বাড়ির ফেরার পথে ক্লান্ত হয়ে পড়লে চিত্ত রঞ্জনের লাগানো তালগাছের নিচে বসে বিশ্রাম করি। নিজ উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন সড়কে অসংখ্য তালের চারা রোপণ করেছেন যা এখন দৃশ্যমান।

চিত্ত রঞ্জন দাস জানান, এখন অসংখ্য তালগাছ আছে যেগুলো বড় হয়েছে কিন্তু বিভিন্ন কারণে অনেক গাছই বড় হতে পারেনি। গাছ একটু বড় হলেই অনেকে ডাল পাতা ছেঁটে নিয়ে যায়। তালপাখা বানানোর জন্য এক শ্রেণির লোক পাতা কেটে নিয়ে যায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম আবু নওশাদ বলেন, এই তালগাছ আমাদের অনেক উপকার করে। তালগাছ আমাদের ছায়া দেয়। বজ্রপাত ঠেকাতে অনেক সহযোগিতা করে। আমি চিত্তরঞ্জন দাসের এই উদ্যোগ স্বাগত জানাই। তালগাছগুলো দেশের সম্পদ হয়ে থাকরে যানুষের কল্যাণে কাজে লাগরে। 
রাব্বি/এআরএস

 

Link copied!