ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ফিলিস্তিনি বন্দিদের ঠেকাতে ‘কুমিরে ঘেরা কারাগার’ বানাবে ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জুলাই ১৮, ২০২৬, ০৪:৪৩ পিএম

ফিলিস্তিনি বন্দিদের ঠেকাতে ‘কুমিরে ঘেরা কারাগার’ বানাবে ইসরায়েল

ফিলিস্তিনি বন্দিদের পালিয়ে যাওয়া ঠেকাতে কুমির দিয়ে ঘেরা বিশেষ কারাগার নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ইসরায়েল। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নীল নদের কুমিরের জন্য বিদ্যমান বিশেষ আইনি সুরক্ষা প্রত্যাহার করেছে দেশটির সরকার। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে মিডল ইস্ট আই।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বুধবার দেশটির পরিবেশমন্ত্রী ইদিত সিলম্যান একটি ডিক্রিতে স্বাক্ষর করেন। এর মাধ্যমে নীল নদের কুমিরকে ‘বিশেষ ব্যবস্থাপনার বন্যপ্রাণী’ হিসেবে নতুন একটি আইনি শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নতুন এই বিধানের আওতায় রাষ্ট্র চাইলে নিরাপত্তা বা বিশেষ প্রয়োজনে এসব প্রাণী নিজেদের হেফাজতে রাখতে পারবে।

পরিবেশমন্ত্রী ইদিত সিলম্যান জানান, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ইসরায়েলের নিরাপত্তা বাহিনী এখন থেকে কুমির রাখতে পারবে। তবে এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের আইনি উপদেষ্টা এবং বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন। তাদের মতে, নিরাপত্তার কাজে কুমির ব্যবহারের সিদ্ধান্তের পক্ষে পর্যাপ্ত আইনি ও পেশাগত ভিত্তি নেই।

এই সিদ্ধান্তের পেছনে কট্টরপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গভিরের দীর্ঘদিনের চাপ কাজ করেছে বলে জানা গেছে। গত বছরের ডিসেম্বরে তিনি ফিলিস্তিনি বন্দিদের জন্য চারপাশে কুমিরে ঘেরা একটি বিশেষ কারাগার নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার বিতর্কিত অভিবাসন আটককেন্দ্র ‘অ্যালিগেটর আলকাট্রাজ’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই তিনি এমন পরিকল্পনা দেন।

ইসরায়েল প্রকৃতি ও উদ্যান কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা আগেই মত দিয়েছিলেন, কুমিরের মতো বন্যপ্রাণী কেবল শিক্ষা ও গবেষণার উদ্দেশ্যেই সংরক্ষণ করা উচিত। পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের আইনি উপদেষ্টা নেটা ডোরিও বলেন, কুমিরকে নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ব্যবহার করার কোনো যথাযথ আইনি বা পেশাগত ভিত্তি নেই।

অন্যদিকে, বেন গভির দাবি করেছেন, আক্রমণাত্মক কুকুর ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞতা থাকায় ইসরায়েলি কারা কর্তৃপক্ষ কুমিরও নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। তবে নেটা ডোরিও এই যুক্তি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, কুমিরের মতো বিপজ্জনক বন্যপ্রাণী পরিচালনার কোনো অভিজ্ঞতা কারা কর্তৃপক্ষের নেই।

সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর বেন গভির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি একটি ছবি প্রকাশ করেন। সেখানে তাকে শিকলে বাঁধা একটি কুমির টেনে নিয়ে যেতে দেখা যায়। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘কুখ্যাত সন্ত্রাসী, পালানোর কথা ভাবছ? আরেকবার ভাবো।’

এদিকে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো সতর্ক করে বলেছে, ভয় প্রদর্শন বা নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে বন্যপ্রাণী ব্যবহার করা অনুচিত। তাদের মতে, কারাগারে কুমির রাখার পরিকল্পনা প্রাণী ও মানুষের উভয়ের জন্যই বড় ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রচলিত ও পরীক্ষিত ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনগুলো।

এএন

Link copied!