ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ইজারা নিয়েও ফাজিলপুর ঘাটের সম্পূর্ণ দখল না পাওয়ার অভিযোগ রেজুয়ানের

আবু হানিফ, সুনামগঞ্জ

আবু হানিফ, সুনামগঞ্জ

জুলাই ১৮, ২০২৬, ০৪:৩২ পিএম

ইজারা নিয়েও ফাজিলপুর ঘাটের সম্পূর্ণ দখল না পাওয়ার অভিযোগ রেজুয়ানের

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার ফাজিলপুর খেয়াঘাটটি জেলা পরিষদ থেকে বৈধভাবে ইজারা নিলেও ঘাটটির সম্পূর্ণ দখল পাচ্ছেন না ইজারাদার রেজুয়ান করিম। এতে চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তিনি।

জেলা পরিষদের ইজারা দেওয়ার নীতিমালা অনুযায়ী ঘাটের অবস্থান থেকে উজানে ১ মাইল ও ভাটিতে ১ মাইলের মধ্যে কোনো নতুন ঘাট সৃষ্টি করার নিয়ম না থাকলেও বালিজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ইজারা আনার নামে মাহতাবপুরে একটি খেয়াঘাট সৃষ্টি করে যাত্রীদের কাছ থেকে টোল আদায় করছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র। ফলে ঘাটটির সম্পূর্ণ দখল না পাওয়ায় চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন প্রকৃত ইজারাদার।

প্রভাবশালী ওই চক্রকে ফাজিলপুর খেয়াঘাটের সীমানার ভেতরে থাকা মাহতাবপুর ঘাটে টোল আদায় বন্ধ করার কথা বললে তারা ওই ইজারাদারকে হুমকি-ধামকি দিয়ে মারমুখী হয়ে আক্রমণের চেষ্টা করে। কোনো উপায় না পেয়ে তিনি জেলা পরিষদের শরণাপন্ন হলে পরিষদ থেকে সার্ভেয়ার গিয়ে ফাজিলপুর ঘাটের সীমানা নির্ধারণ করে লাল নিশান টাঙিয়ে আসেন এবং যাতে ওই ঘাট থেকে টোল আদায় বন্ধ ও দ্রুত উচ্ছেদ করা হয়, সে নির্দেশ দেন সার্ভেয়ার মো. এরশাদুল হক। তবে কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে এখনো টোল আদায় করছে প্রভাবশালী চক্রটি।

উল্টো ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বৈধভাবে ইজারা এনে যাত্রীদের কাছ থেকে টোল আদায় করছেন বলে জানান ইজারা নেওয়া আরশাদুল হকের নিয়োগকৃত টোল আদায়কারী কর্মীরা।

এ বিষয়ে জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার মো. এরশাদুল হক বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী ইজারা দেওয়া ঘাটের অবস্থানের উজান ও ভাটি- দুই দিকে দুই মাইলের মধ্যে কোনো নতুন ঘাট সৃষ্টি করার নিয়ম নেই। যদি কেউ এটা করে, তাহলে তা সম্পূর্ণ অবৈধ। আমি ফাজিলপুর ঘাটের সীমানা নির্ধারণ করে দিয়ে এসেছি। যদি কেউ এ নির্দেশনা না মানে, তাহলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বালিজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজাদ হোসেন জানান, গত ১০০ বছর ধরে মাহতাবপুর ঘাটটি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ইজারা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে দুই বছর জোরপূর্বক এই ঘাটটি জেলা পরিষদ ইজারা দিয়েছিল। এখন আবার ইউনিয়ন পরিষদ ঘাটটি ইজারা দিয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক অসীম চন্দ্র বণিক ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

এএন

Link copied!