community-bank-bangladesh
Amar Sangbad
ঢাকা শুক্রবার, ২১ জুন, ২০২৪,

চরফ্যাশন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

কারচুপির অভিযোগ কণ্ঠশিল্পী ফিরোজ কিবরিয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

জুন ১১, ২০২৪, ০৮:২৩ পিএম


কারচুপির অভিযোগ কণ্ঠশিল্পী ফিরোজ কিবরিয়ার

চরফ্যাশনে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ঘোড়া প্রতীকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও কণ্ঠশিল্পী ফিরোজ কিবরিয়া প্লাবন। 

তিনি বলেন, এই নির্বাচনকে ঘিরে শুরু থেকেই মোটর সাইকেল মার্কার প্রার্থী জয়নাল আবেদীনের লোকজন দলীয় প্রার্থী জাহির করে আমি ও আমার কর্মী সমর্থকদের উপর ব্যাপক হুমকি-ধামকি ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। এ বিষয়ে আমি চরফ্যাশন থানায় বেশ কয়েকটি অভিযোগ করি এবং কয়েকজন মোটর সাইকেল প্রতীকের লোকজনকে পুলিশ আটক করে।

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে ফিরোজ কিবরিয়া অভিযোগ করেন, বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পুলিং এজেন্ট নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়ম বহির্ভূতভাবে নিজস্ব লোকজন নিয়োগ দিয়ে জাল ভোট, ভোট ডাকাতি ও সিল মারার সুযোগ করে দিয়েছে মোটর সাইকেল প্রার্থী জয়নাল আবেদীন। নির্বাচনের দিন প্রায় সকল কেন্দ্রে আমার ঘোড়া মার্কার কোন এজেন্টকে কেন্দ্রের ভিতরে ঢুকতে দেয়া হয়নি অভিযোগ করে তিনি আরো বলেন, কোথাও কোথাও নির্বাচনের আগের রাতেই ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে। অনেক কেন্দ্র থেকে আমার এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে। যা আমি দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেটগণদেরকে বার বার জানিয়েছি। এরমধ্যে আসলামপুর ইউনিয়নে আবুগঞ্জ বাজার কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মো. সালেক মুহিদকে ভয়-ভীতি দেখানো আমার কয়েকজন এজেন্টকে ডেকে এনে বিষয়টি প্রমাণ করেছি। পরবর্তীতে তিনি আমার এজেন্টকে কেন্দ্রে ঢোকার সুযোগ করে দেন।

তিনি বলেন, মোটর সাইকেল প্রার্থী মো. জয়নাল আবেদীন নির্বাচনের বিভিন্ন প্রচারণায় বলে বেড়িয়েছেন স্থানীয় এমপি আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব তাকে সমর্থন দিয়েছেন। দলীয় নেতাকর্মীদেরকে নির্বাচনে কাজ করতেও নাকি বলেছেন। তার এমন বক্তব্যের ভিডিও রয়েছে। কিন্তু স্থানীয় এমপি কোনো প্রার্থীর পক্ষেই ছিলেননা। কিশোর ছেলেদেরকে দিয়ে বিভিন্ন কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়ার মহোৎসব করেছে মোটর সাইকেল প্রতীকের লোকজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে হাতেনাতে ধরে পুলিশে দিয়েছি। যার ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। কেন্দ্র পরিদর্শনে বিভিন্ন সাংবাদিকদের জরিপে বিকেল তিনটা পর্যন্ত ৮-১০% ভোটার উপস্থিতি থাকলেও মাত্র এক ঘণ্টায় বিকেল ৪টায় ভোট দেখানো হয়েছে ২২-২৩%। তা কিভাবে সম্ভব আমি বুঝতে পারছি না। 

এছাড়া অন্যান্য উপজেলায় ভোট গণনা শেষে ফলাফল ৩-৪ ঘণ্টায় হলেও আমার উপজেলায় ৭/৮ ঘণ্টায় ফলাফল ঘোষণা হয়। যা একটি সাজানো ও মনগড়া ফলাফল ঘোষণার নিদর্শন বলে আমি মনে করি। এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

আরএস

Link copied!