ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

‎আলোচিত পর্ন তারকাকে নিয়ে যা বললেন এলাকাবাসী

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

অক্টোবর ২০, ২০২৫, ১১:৪৯ পিএম

‎আলোচিত পর্ন তারকাকে নিয়ে যা বললেন এলাকাবাসী

আন্তর্জাতিক পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইটের সঙ্গে যুক্ত থেকে অশ্লীল ভিডিও তৈরি ও প্রচারের অভিযোগে বান্দরবান থেকে এক দম্পতিকে আটক করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া নারী মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলার বাসিন্দা। জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক দশক আগে ওই নারীর বিয়ে হয় হরিরামপুরের বয়রা ইউনিয়নের এক জেলে পরিবারের ছেলের সঙ্গে। সংসার জীবনে টানাপোড়েন চলার পর প্রায় দুই বছর পর তিনি প্রথম স্বামীকে তালাক দেন। পরে ১ লাখ টাকা নিয়ে আরেক যুবকের সঙ্গে চট্টগ্রামে চলে যান। কিছুদিন পর ফরিদপুরে নানির বাড়িতে অবস্থান করলেও পরে আবার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যান।

স্থানীয় বাসিন্দা হাশেম মাঝি জানান, প্রায় আট বছর আগে সে ডিভোর্স দেয়। কাবিনের টাকা নিয়ে গেলেও স্বামীর অনেক ক্ষতি করেছে। এরপর আর ওকে এলাকায় দেখিনি। সম্প্রতি সংবাদ দেখে চিনতে পারলাম।

এলাকার লোকজনের দাবি, ওই নারীর বাবা এখনো মানিকগঞ্জের লেছড়াগঞ্জ চরে বসবাস করেন এবং পেশায় একজন জেলে। দুর্গম এলাকায় অবস্থানের কারণে তার সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

এর আগে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে-তারা দেশে বসেই আন্তর্জাতিক পর্ন সাইটে কনটেন্ট প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় ছিলেন। নিজেদের ‘মডেল’ পরিচয়ে তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও প্রচার করতেন এবং বিদেশি ওয়েবসাইটে নিয়মিত কনটেন্ট আপলোড করতেন।

গবেষণাধর্মী অনুসন্ধানী মাধ্যম দ্য ডিসেন্ট-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই দম্পতি ২০২৪ সালের মে মাস থেকে অনলাইনে সক্রিয় হন এবং এক বছরের মধ্যে শতাধিক ভিডিও প্রকাশ করে বিপুল দর্শক অর্জন করেন। শুধু একটি ওয়েবসাইট নয়, আরও কয়েকটি প্ল্যাটফর্মে তারা ভিডিও প্রচার করতেন।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের মে মাসে তারা একটি টেলিগ্রাম চ্যানেল খুলে সেখানে নতুন ভিডিওর লিংক, আয় সংক্রান্ত তথ্য ও প্রচারণা চালাতেন। বর্তমানে চ্যানেলটির সদস্যসংখ্যা কয়েক হাজার।

এছাড়া অনুসন্ধানে দেখা গেছে, নতুন তরুণদের এই কনটেন্ট ইন্ডাস্ট্রিতে যুক্ত হতে প্রলুব্ধ করার জন্য অনলাইনে নানা পোস্ট দেওয়া হতো। সেখানে লেখা থাকত, নতুন ক্রিয়েটর যোগ করুন, অর্থ উপার্জনের সুযোগ নিন।

সিআইডি জানিয়েছে, ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে এবং ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

ইএইচ

Link copied!