ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

বিয়ের আগেই গর্ভবতী, অনাগত সন্তানের স্বীকৃতি চেয়ে ৪ দিন ধরে অনশন

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

অক্টোবর ২৮, ২০২৫, ১২:০৫ পিএম

বিয়ের আগেই গর্ভবতী, অনাগত সন্তানের স্বীকৃতি চেয়ে ৪ দিন ধরে অনশন

বরিশাল থেকে শাহজাদপুরে এসে গর্ভের সন্তানের স্বীকৃতি চেয়ে ৪ দিন ধরে অনশন করছেন সৈয়দা সোনিয়া আকতার নামে এক নারী। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার আগ নুকালী গ্রামে আনছার আলীর বাড়ীতে। সৈয়দা সোনিয়া আকতার গর্ভের বাচ্চা ও স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে কাবিননামা হাতে নিয়ে অনশন শুরু করছেন। গত ২৫ অক্টোবর থেকে এ অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। 

অনশনকারী গৃহবধূ সৈয়দা সোনিয়া জানান, তার বাড়ী বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার  মুন্ডুপাশা গ্রামে। প্রথম স্বামী সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলে দেড় বছরের শিশু পুত্র নিয়ে ঢাকায় চলে আসেন। সাভার হেমায়েতপুর রাফি আর্ট গ্যালারির গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কর্মরত অবস্থায় দুই বছর আগে পরিচয় ঘটে শাহজাদপুরের আগ নুকালি গ্রামের কেসমত মাষ্টারের পুত্র আনছার আলীর সাথে। এক পর্যায়ে সোনিয়ার ফোন নম্বর নিয়ে কথা বলতে বলতে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।

এরপর বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস করতে থাকে তারা। বিয়ে ও কাবিনের কথা বললে বিভিন্ন অযুহাতে কালক্ষেপণ করে আনছার। একপর্যায়ে সৈয়দা সোনিয়া অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে আনছার আলীকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে গত ১লা জুলাই সাভার নিকাহ রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে সাড়ে চার লক্ষ টাকা কাবিনে বিয়ে করে বসবাস করে আসছিলো। 

বিয়ের ৪মাস না যেতেই হঠাৎ করে বাসা থেকে বের হয়ে আত্মগোপনে চলে যায় আনছার আলী। বেশ কয়েকদিন পর ফোন করে জানান, তিনি মালয়েশিয়া গিয়েছেন এবং যাবার আগে সোনিয়াকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছেন। এ খবর শুনে মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে সোনিয়ার। উপায়ন্ত না দেখে গর্ভের সন্তানের স্বীকৃতি ও স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবী নিয়ে ছুটে আসে আগ নুকালী গ্রামে আনছারের পৈতৃক বাড়িতে। ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাবার ঘোষণা গৃহবধূ সোনিয়ার। 

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে দেখতে আসে মানুষ। এদিকে এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে  আনছারের বাড়িতে ছুটে আসেন প্রথম স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস শিউলির স্বজনরা। 

শিউলির বড় ভাই রুহুল আমিন জানান, ২০০৩ সালে আনছার আলীর সাথে তার বোন শিউলির বিয়ে হয়। দীর্ঘদিন সংসার করার পর জাপান যাওয়ার কথা বলে দফায় দফায় ৮লাখ টাকা নিয়ে সাউথ আফ্রিকায় চলে যায়। এরপর আনছারের পরিবারের লোকজন শিউলির উপর নির্যাতন করতে থাকে। বছর কয়েক আগে আনছারের বড় ভাই স্কুল শিক্ষক আফছার আলী এবং পিতা স্কুল শিক্ষক কিসমত মিলে গভীর রাতে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। পরে শিউলি বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেয় এবং একটি মামলা করে। সেই মামলা এখনো চলমান রয়েছে। 

বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে আনছারের পিতা কিসমত জানান, আনসারকে তিনি সন্তান হিসেবে মানেন না। আনছারের জন্য তার অনেক ক্ষতি হয়েছে। এর আগেও বিয়ে করে বিদেশে চলে যায়। পরে কবে ফেরৎ এসে নতুন করে এই মেয়েকে বিয়ে করেছে তা তিনি জানেন না।

বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল বারী জানান, আনছারের স্ত্রী পরিচয় দিয়ে মেয়েটি গর্ভের সন্তানের স্বীকৃতি চেয়ে অনশন করছে। দুই পরিবারের অভিভাবক নিয়ে বসে বিষয়টি সমাধান করা হবে।

জেএইচআর

Link copied!