ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফরিদপুরে ওটিবয়ের অপারেশনে কেটে ফেলা হলো নারীর অঙ্গ

ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুর প্রতিনিধি

ডিসেম্বর ৭, ২০২৫, ১১:১০ এএম

ফরিদপুরে ওটিবয়ের অপারেশনে কেটে ফেলা হলো নারীর অঙ্গ

ফরিদপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভয়াবহ অবহেলা ও প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার সুরক্ষা প্রাইভেট হাসপাতালে একজন ওটিবয় (অপারেশন থিয়েটারের কর্মচারী) নিজেই অস্ত্রোপচার করে এক নারীর স্তনের টিস্যু সংগ্রহ করেন। এতে অস্ত্রোপচারস্থলে মারাত্মক সংক্রমণ দেখা দিলে শেষ পর্যন্ত ওই নারীর একটি স্তন্য অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কেটে ফেলতে হয়।

ভুক্তভোগী ববিতা বেগম (২৮) ফরিদপুর শহরতলীর খাসকান্দি এলাকার প্রবাসী সরোয়ার আলমের স্ত্রী। তার দুই শিশু সন্তান রয়েছে। বর্তমানে তিনি ঝিলটুলীর সেন্ট্রাল স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

গত ১৮ নভেম্বর ববিতা বেগম তার মা ময়না বেগমকে সঙ্গে নিয়ে সুরক্ষা হাসপাতালে সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. আতিকুর আহসানের শরণাপন্ন হন। চিকিৎসক বায়োপসি পরীক্ষার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু কক্ষ থেকে বের হওয়ার পর হাসপাতালের ওটিবয় শেখ নিয়ামুল বায়োপসি মেডিকেলে না করে কম খরচে নিজেই করে দেওয়ার প্রলোভন দেখান।

ভুক্তভোগী জানান, আমার দুই সন্তান, কোনো ক্ষতি যেন না হয় এ কথা বললেও সে আমাকে ভুল বুঝিয়ে ওটি রুমে নিয়ে একাই অপারেশন করে। পরে চারটি সেলাই দিয়ে নিজেই প্রেসক্রিপশন লিখে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।

অস্ত্রোপচারের ১৫ দিনের মাথায় মারাত্মক সংক্রমণ দেখা দিলে আবার চিকিৎসকের কাছে গেলে বিষয়টি জানা যায়। এরপর ৪ ডিসেম্বর সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভর্তি করে সংক্রমিত স্তন্যটি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কেটে ফেলতে হয়।

ডা. আতিকুর আহসান বলেন, এই প্রক্রিয়ায় সাধারণত একটি ফাঁপা সুঁচ দিয়ে টিস্যু সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু অস্ত্রোপচার করার কোনো যোগ্যতাই নেই ওটিবয়ের। এই কাজ সম্পূর্ণ বেআইনি।

বায়োপসি রিপোর্টে দেখা যায়, নমুনাটি ঢাকা ধানমন্ডির এনএন ল্যাবে পাঠানো হলেও রিপোর্টে উল্লেখ আছে, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে প্রেরিত। যা স্পষ্টতই প্রতারণার প্রমাণ।

অভিযুক্ত ওটিবয় শেখ নিয়ামুল তার ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

সুরক্ষা হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাজেদুর রহমান জানান, প্রতিষ্ঠানের অজানায় সে কাজটি করেছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহামুদুল হাসান বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে আমাদের পক্ষ থেকেও খোঁজ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জেএইচআর

Link copied!