ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

টুঙ্গিপাড়ায় গ্রামীণ পানি সমিতির লোহার পাইপ বিক্রিতে অনিয়ম

টুঙ্গিপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি

টুঙ্গিপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫, ০৪:১৫ পিএম

টুঙ্গিপাড়ায় গ্রামীণ পানি সমিতির লোহার পাইপ বিক্রিতে অনিয়ম

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতি ইউনিয়ন গ্রামীণ পানি সমিতির মালিকানাধীন পুরাতন লোহার পাইপ বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কোনো ধরনের খোলা নিলাম বা টেন্ডার (দরপত্র), মাইকিং অথবা কোনো বিজ্ঞাপন ছাড়াই মাত্র একজন ক্রেতার কাছে পাইপগুলো বিক্রি করা হয়েছে।

পানির প্ল্যান্টের এক কর্মচারী জানান, পাইপগুলো পুরাতন হলেও এর সর্বনিম্ন বাজারমূল্য কমপক্ষে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা হওয়ার কথা। কিন্তু কী দামে এবং কী প্রক্রিয়ায় বিক্রি করা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

পাইপ বিক্রির বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা আরিফ হোসেন অভিযোগ করে বলেন, “আমরা জানি সরকারি কোনো মালামাল নিলাম অথবা মাইকিং ছাড়া বিক্রি হয় না। আমরা ইউনিয়ন পরিষদের কাছ থেকেও কোনো মাইকিং, খোলা নিলাম অথবা টেন্ডার (দরপত্র)-এর কথা জানতে পারিনি।”

এ বিষয়ে পানি সমিতির সভাপতি ও পাটগাতি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সুবাষ বিশ্বাস বলেন, “সকল সদস্যের স্বাক্ষরের মাধ্যমে রেজুলেশন করে ৬০ হাজার টাকায় পাইপ বিক্রি করা হয়েছে।” অথচ তিনি জানেনই না কত ইঞ্চি পাইপ বিক্রয় করা হয়েছে এবং কত পিস ছিল। তিনি দাবি করেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীকে জানিয়ে পাইপগুলো বিক্রি করা হয়েছে।

তবে পানি সমিতির সদস্য সচিব ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহিদ মোল্লা ভিন্নমত পোষণ করে বলেন, “আমরা এভাবে বিক্রি করে ভুল করেছি, এটা আইন সংগতভাবে বিক্রি করা হয়নি।”

পানি সমিতির বিল ক্লার্ক আমজাদ হোসেন বলেন, “বিজ্ঞাপন দিয়েই পাইপ বিক্রি করা হয়েছে।” 

তার কাছে রেজুলেশনের কপি এবং বিজ্ঞাপনের পত্রিকার কপি দেখতে চাইলে তিনি বলেন, “এগুলো আমি দেখাতে বাধ্য নই, আপনারা প্রয়োজনে নিউজ করেন।” এছাড়া আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে পানির লাইনের সংযোগ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

পাইপ বিক্রি প্রসঙ্গে পানি সমিতির সদস্য নজরুল শেখ অভিযোগ করে বলেন, “আমি কোনো রেজুলেশনে স্বাক্ষর করিনি। পাইপ বিক্রিতে স্পষ্ট অনিয়ম হয়েছে।”

এ বিষয়ে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী, গ্রামীণ পানি সমিতির উপদেষ্টা প্রদীপবাবু জানান, “রেজুলেশন করে পাইপ বিক্রি করা যায়। পাইপগুলো আমাকে জানিয়ে বিক্রি করেছে। তবে সকল সদস্য যদি রেজুলেশন খাতায় স্বাক্ষর না করে দায়ভার সমিতির।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ বিষয়ে বলেন, “সরকারি কোনো জিনিস বিক্রি করতে হলে অবশ্যই আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করতে হবে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর মাধ্যমে পাইপগুলো এনে টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করার ব্যবস্থা করব।”

ইএইচ

Link copied!