ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

দৌলতপুরে ভোটের আগে আতঙ্ক, প্রশ্নের মুখে সুষ্ঠু নির্বাচন

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬, ০২:৪৮ পিএম

দৌলতপুরে ভোটের আগে আতঙ্ক, প্রশ্নের মুখে সুষ্ঠু নির্বাচন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত এখন আর শুধু কাঁটাতারের গল্প নয়, এটি পরিণত হয়েছে অস্ত্র, মাদক ও রাজনীতির এক অদৃশ্য সংঘাতের মাঠে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এ সীমান্ত এলাকাজুড়ে বাড়ছে অস্বস্তি ও আতঙ্ক।

বিশ্বস্ত একাধিক সূত্র বলছে, দৌলতপুর উপজেলার ধর্মদহ, জামালপুর, বিলগাতুয়া, মুন্সীগঞ্জ, চরপাড়া, চল্লিশপাড়া, মহাম্মদপুর ও বাংলাবাজার সীমান্তপথ ব্যবহার করে সম্প্রতি একাধিক দফায় বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র দেশে ঢুকেছে। এসব অস্ত্রের বেশির ভাগই পৌঁছে গেছে প্রভাবশালী মহলের হাতে এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। 

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, এসব চালানে আমেরিকান তৈরি আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র, পিস্তল ও ওয়ান শুটার গান রয়েছে। একই রুট দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্বর্ণ, হেরোইন ও ফেনসিডিল পাচার হয়ে আসছে।

তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ১০ থেকে ১২টি পৃথক চালানে আধুনিক অস্ত্র সীমান্ত পার হয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচনী পরিবেশকে অস্থিতিশীল করাই এর বড় লক্ষ্য। দৌলতপুর উপজেলার সাথে ভারতের প্রায় ৪৬ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে, যার মধ্যে মাত্র ১৮ কিলোমিটারে কাঁটাতারের বেড়া আছে। বাকি উন্মুক্ত অংশ দিয়েই গভীর রাতে সীমান্ত পেরোয় অস্ত্র ও মাদক।

ভোটের আগে অস্ত্রের এমন প্রবেশ রাজনৈতিক অঙ্গনেও উদ্বেগ তৈরি করেছে। 

কুষ্টিয়া-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা বলেন, দৌলতপুরের কিছু এলাকা সন্ত্রাসকবলিত। নির্বাচনের আগে কঠোরভাবে অস্ত্র উদ্ধার না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে পারে।

দৌলতপুর থানার ওসি সোলাইমান শেখ জানান, অস্ত্র আমদানির বিষয়ে তার কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক। অন্যদিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন বলেন, বড় চালানের কথা শুনেছি, তবে সব তথ্য প্রকাশের সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি জানান, নির্বাচন সামনে রেখে সীমান্তে বিশেষ সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে। সম্প্রতি প্রায় ১১০ কোটি টাকার চোরাচালানি পণ্য ও মাদক উদ্ধার এবং ২৫টি অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। 

পুলিশ সুপার মো. জসীম উদ্দিন বলেন, সীমান্তবর্তী ভোটকেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনসহ বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সব বক্তব্যের মাঝেও দৌলতপুরের সাধারণ মানুষের প্রশ্ন একটাই অস্ত্র ঢুকছে কীভাবে আর কার হাতে যাচ্ছে সেগুলো? নির্বাচনের আগে এ প্রশ্নের উত্তর না মিললে দৌলতপুর সীমান্ত সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়েই থাকবে।

ইএইচ

Link copied!