ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

এ্যানির গাড়ি থেকে ১৫ লাখ টাকাসহ আটক কৃষকদল নেতা মুক্ত 

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ১০:০৭ পিএম

এ্যানির গাড়ি থেকে ১৫ লাখ টাকাসহ আটক কৃষকদল নেতা মুক্ত 

লক্ষ্মীপুর শহরের ঝুমুর এলাকায় চেকপোস্টে কৃষকদল নেতা বদরুল ইসলাম শ্যামলের গাড়ি থেকে ১৫ লাখ টাকা পাওয়া গেছে। পরে যাচাই-বাছাই শেষে টাকাসহ ওই নেতাকে ছেড়ে দিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে শহরের ঝুমুর চত্ত্বর থেকে টাকাসহ শ্যামলের ব্যবহারকৃত গাড়িটি চেকপোস্টে আটক করা হয়। 

নির্বাচন অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক তাহরিনা আক্তার নওরিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনি বিস্তারিত কোন বক্তব্য দেননি। 

শ্যামল জেলা কৃষকদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও তিনি শহরের আল-আমিন ফার্মেসির মালিক। আটক গাড়ির সামনে ও পেছনে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী নির্বাচনী পোষ্টার সাঁটানো ছিল। শ্যামল এ্যানির খালাতো ভাই। 

প্রত্যক্ষদর্শী ও নির্বাচন অনুসন্ধান টিম সূত্র জানায়, নির্বাচনকালীন নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঝুমুর এলাকায় চেকপোস্ট চলে। কৃষকদল নেতা শ্যামল নির্বাচনকালীন ব্যবহৃত একটি গাড়িতে (ঢাকা মেট্টো-ঘ ১৭-১৩৭৭) যাচ্ছিলেন। চেকপোস্টে গাড়ি তল্লাশি করে ১৫ লাখ টাকা পাওয়া যায়।  পরে শ্যামলকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ৪তলায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বিচারক তাহরিনা আক্তার নওরিন আধাঘন্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য নির্দেশ দেন। পরে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়। 

এ ব্যাপারে বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ১৫ লাখ টাকা আমার ভোট কেন্দ্রের এজেন্ট খরচ। প্রশাসন যাচাই-বাছাই করে ছেড়ে দিয়েছে। এতে বিভ্রান্ত হওয়ার কোন কারণ নেই। এটা নিয়ে কেউ কেউ রাজনীতি করছেন, আমি তার প্রতিবাদ করছি। 

টাকাসহ কৃষকদল নেতা আটকের বিষয়ে লক্ষ্মীপুর সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রেজাউল হক বলেন, আটকের পর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো হয়। পরে আদালত পরিচালনা করে যাচাই-বাছাই শেষে তা ছেড়ে দেওয়া হয়। এটি নির্বাচনী তহবিলের বৈধ টাকা বলে নিশ্চিত হয়।

জেএইচআর

Link copied!