ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

নাটোরের চার আসনে ধানের শীষের জয়, মন্ত্রিত্বে দুলু–পুতুলকে ঘিরে প্রত্যাশা 

আব্দুল মজিদ, নাটোর

আব্দুল মজিদ, নাটোর

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬, ০২:৩০ পিএম

নাটোরের চার আসনে ধানের শীষের জয়, মন্ত্রিত্বে দুলু–পুতুলকে ঘিরে প্রত্যাশা 

নাটোরের রাজনীতিতে যেন নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। জেলার চারটি সংসদীয় আসনেই ধানের শীষের জয় কেবল নির্বাচনী সাফল্য নয়, এটি স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষারও প্রতিফলন। সরকার গঠনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় মন্ত্রিসভা ঘোষণার আগেই নাটোরে উঠেছে জোরালো দাবি। জেলার উন্নয়নের স্বার্থে মন্ত্রিসভায় স্থান পাক দুই পরিচিত মুখ, অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল।

নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) থেকে ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল, নাটোর-২ (সদর-নলডাঙ্গা) থেকে অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নাটোর-৩ (সিংড়া) থেকে অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু এবং নাটোর-৪ (বড়াইগ্রাম-গুরুদাসপুর) থেকে আব্দুল আজিজ বিজয়ী হয়েছেন। চারটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীদের জয়ের ব্যবধান উল্লেখযোগ্য।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ফলাফল নাটোরবাসীর ঐক্যবদ্ধ মনোভাবের প্রতিফলন। দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত ও কর্মসংস্থান সংকট কাটিয়ে উন্নয়নের ধারায় ফিরতে চাওয়ার বার্তাই ভোটের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে।

অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু কেবল একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্য নন, তিনি উত্তরাঞ্চলের রাজনীতিতে পরিচিত এক সাংগঠনিক মুখ। ভূমি উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় তিনি নাটোরে বেশ কিছু উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছিলেন এমন দাবি স্থানীয় নেতাকর্মীদের।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, নিজ আসনের বাইরে জেলার অন্যান্য আসনেও বিজয় নিশ্চিত করতে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। তাঁর রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও সাংগঠনিক দক্ষতাকে এবার মন্ত্রিসভায় কাজে লাগাতে চান সমর্থকরা। অনেকের মতে, মন্ত্রিত্ব পেলে তিনি নাটোরে শিল্পায়ন ও কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির সম্প্রসারণে নতুন গতি আনতে পারবেন।

নাটোর-১ আসনের নতুন মুখ ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলকে ঘিরে রয়েছে এক ধরনের আবেগও। তাঁর পিতা ফজলুর রহমান পটল যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে লালপুর-বাগাতিপাড়া এলাকায় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতি এসেছিল এমনটাই মনে করেন স্থানীয় প্রবীণরা।

দীর্ঘদিন পর সেই আসনে আবারও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ফিরিয়ে আনার প্রত্যাশায় পুতুলকে মন্ত্রী করার দাবি উঠেছে। তরুণ প্রজন্মের অনেকেই মনে করছেন, একজন শিক্ষিত ও পেশাদার নারী নেতৃত্ব হিসেবে পুতুল মন্ত্রিসভায় গেলে নারীর ক্ষমতায়ন ও স্থানীয় কর্মসংস্থানে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

নাটোর শহর থেকে গ্রামাঞ্চল সর্বত্রই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু উন্নয়ন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, রাজনৈতিক বৈঠক ও চায়ের আড্ডায় একই প্রশ্ন  “নাটোর কি এবার মন্ত্রিসভায় শক্ত অবস্থান পাবে?”

সাধারণ ভোটারদের মতে, চারটি আসনে বিজয় কেবল রাজনৈতিক সাফল্য নয়, এটি কেন্দ্রের কাছে নাটোরের গুরুত্ব বাড়ানোর সুযোগ। তারা মনে করেন, মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব পেলে জেলার সড়ক অবকাঠামো, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কৃষি বিপণন ব্যবস্থা ও শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার মতো প্রকল্পে অগ্রাধিকার মিলতে পারে।

রাজনীতির অঙ্ক এখন কেন্দ্রের হাতে। তবে নাটোরবাসীর প্রত্যাশা স্পষ্ট উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও স্থিতিশীল নেতৃত্ব। দুলু ও পুতুলকে ঘিরে এই প্রত্যাশা কতটা বাস্তবায়িত হবে, তা নির্ভর করছে আসন্ন মন্ত্রিসভা গঠনের ওপর।

তবু আপাতত বলা যায়, নাটোরের চার আসনে ধানের শীষের জয় শুধু একটি নির্বাচনী ফল নয় এটি এক জেলার নতুন স্বপ্ন দেখার গল্প।

এএন

Link copied!