ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

মেয়েকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

চাঁদপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুর প্রতিনিধি

মার্চ ৮, ২০২৬, ০৯:৫৮ পিএম

মেয়েকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে মেয়েকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় মো. জাকির হোসেন মিয়াজী (৪৫) নামে এক কৃষক পিতাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বখাটে যুবকদের হামলায় আহত হয়ে ১৩ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর রোববারভোরে তিনি মারা যান। নিহত জাকির উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের হরিনা গ্রামের বাসিন্দা এবং পাঁচ সন্তানের জনক ছিলেন।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জাকির হোসেনের মেজো মেয়ে সাকিবা আক্তার নিশ্চিন্তপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। স্কুলে যাওয়া-আসার পথে তাকে প্রায়ই উত্যক্ত করত বখাটে ফাইম মিয়াজী, মো. সাফিন, রিফাত বেপারী ও রিয়াদ শিকদারসহ ১০-১৫ জনের একটি দল। 

এ বিষয়ে জাকির হোসেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নিশ্চিন্তপুর বাজারে বখাটেরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় জাকির হোসেন মাথায় গুরুতর আঘাত পান।

গুরুতর অবস্থায় প্রথমে তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে টানা ১৩ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে আজ ভোর ৫টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই হোসেন মিয়াজি ইতিপূর্বেই চাঁদপুর আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন।

নিহতের স্ত্রী পারভীন আক্তার ও কন্যারা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন। তবে নিশ্চিন্তপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আরিফুল্ল্যা দাবি করেছেন, উত্যক্তের বিষয়ে তাকে কেউ আগে অবহিত করেনি।

মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাকির হোসেনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় পূর্বের মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তর করার প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জেএইচআর

Link copied!