ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ময়মনসিংহের এক মসজিদে ইতিকাফে বসেছে নয়শত মুসল্লি

আব্দুল্লাহ আল আমীন, ময়মনসিংহ

আব্দুল্লাহ আল আমীন, ময়মনসিংহ

মার্চ ১৪, ২০২৬, ০৪:১৭ পিএম

ময়মনসিংহের এক মসজিদে ইতিকাফে বসেছে নয়শত মুসল্লি

ময়মনসিংহের বাড়েরা মাদানী নগরে অবস্থিত খানকায়ে হোসাইনিয়া মাদানিয়া মাদরাসা মসজিদে দীর্ঘদিন ধরে আধ্যাত্মিক সাধনা ও মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। ২০১২ সালে কুতুবে আলম শাইখুল ইসলাম হোসাইন আহমদ মাদানী (রহ.)-এর খলিফা শায়খ আব্দুল মুমিন (রহ.)-এর মাধ্যমে এই খানকার প্রতিষ্ঠা হয়।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে মোতোওয়াল্লী মুফতি মাহবুবুল্লাহর সার্বিক তত্ত্বাবধানে খানকাটি দেশ ও জাতির কল্যাণে নানা ধর্মীয় ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

প্রতিবছরের মতো চলতি বছরও রমজানকে কেন্দ্র করে এখানে ব্যাপক আমলের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, রমজানের প্রায় দশ দিন আগে থেকেই ৪০ দিনের চিল্লার আমল শুরু হয়। ২০২৬ সালে রমজানের দশ দিন আগে প্রায় ১২৫ জন মুসল্লি ইতিকাফে বসেন। পরে পহেলা রমজান থেকে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২২৫ জনে। রমজানের শেষ দশকে এই সংখ্যা ৮৫০ থেকে প্রায় এক হাজারে পৌঁছেছে।

বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা বিশেষ করে পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, সৈয়দপুরসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকা, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন, সিলেট, সুনামগঞ্জ, গাজীপুর ও ঢাকা থেকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা এখানে এসে ইতিকাফে অংশ নিচ্ছেন। তাদের আমল ও ইবাদতে পুরো খানকা এলাকা এখন আধ্যাত্মিক পরিবেশে মুখরিত।

খানকায়ে হোসাইনিয়া মাদানিয়া শুধু আধ্যাত্মিক কার্যক্রমেই সীমাবদ্ধ নয়; দেশ-বিদেশে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমও পরিচালনা করে থাকে। ফিলিস্তিনে নির্যাতিত মুসলমানদের জন্য ইফতার ও খাদ্য বিতরণ, ভারতে দাঙ্গায় ক্ষতিগ্রস্ত মুসলমানদের আর্থিক সহায়তা ও চিকিৎসা সহায়তাসহ বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগ পরিচালনা করা হয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ২০২২ সালে সিলেটের বন্যায় প্রায় ২৬ লাখ টাকার ত্রাণ বিতরণ করা হয়। ২০২৪ সালে নোয়াখালী, ফেনী ও কুমিল্লার বন্যায় ৬৬ লাখ টাকার বেশি ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

খানকার তত্ত্বাবধানে বর্তমানে ২০০-এর বেশি নও-মুসলিমের দেখভাল করা হচ্ছে। পাশাপাশি ৫৫ জনের বেশি এতিম ও অসহায় শিশুর চিকিৎসা, খাবার ও প্রয়োজনীয় ব্যয় বহন করা হয়। এছাড়া ২০০-এর বেশি অসহায় শিক্ষার্থীর খাবারের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

খানকার দায়িত্বশীলরা জানান, মানুষের নৈতিক উন্নয়ন, উন্নত চরিত্র গঠন এবং সর্বোপরি আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে তারা ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

এএন

Link copied!