রাইসুল ইসলাম লিটন, টাঙ্গাইল
মার্চ ২১, ২০২৬, ১০:০৩ পিএম
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, মাদকের সঙ্গে কেউ সম্পৃক্ত থাকলে তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে এবং এ ক্ষেত্রে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি প্রশাসনকে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলেন, মাদক সমাজের জন্য ভয়াবহ ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।
শনিবার পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন বিকেলে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দ্যাইনা ইউনিয়নের চিলাবাড়ি স্কুল মাঠে আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে এবং নতুন প্রজন্মের কাছে এই সংস্কৃতিকে পরিচিত করার লক্ষ্যে গত ৮৪ বছর ধরে দ্যাইনা ঘোড়দৌড় কমিটি এই আয়োজন করে আসছে। প্রতিযোগিতার পাশাপাশি অনুষ্ঠানে ছিল হাড়িভাঙা, বালিশ খেলা ও সাইকেল চালানো প্রতিযোগিতা। দর্শনার্থীরা জানান, ঈদের দিনে এমন আয়োজন তাদের আনন্দকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রতিমন্ত্রী টুকু এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, গ্রামীণ ঐতিহ্য ও ঈদের আনন্দকে প্রাণবন্ত করতে এমন আয়োজন ধারাবাহিকভাবে চলুক, এতে আমার সব ধরনের সহযোগিতা থাকবে।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে প্রতিমন্ত্রী টাঙ্গাইলের উন্নয়ন নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিএনপি যা বলে তাই করে এবং জনগণের চাহিদা অনুযায়ী উন্নয়ন কার্যক্রম ও বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি নিজ দলের নেতাকর্মীদের অন্যায় থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তিনি নিজে যেমন অন্যায় করবেন না, তেমনি অন্যায়কে প্রশ্রয়ও দেবেন না। একটি সুন্দর ও উন্নত টাঙ্গাইল গড়ে তোলাই তাঁর মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। এতে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রীর সহধর্মিণী সায়মা পারভীন সিম্মি। দ্যাইনা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহজাহান সিরাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজিম উদ্দিন বিপ্লব, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, বিএনপি নেতা লাভলু মিয়া লাভু, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আরিফুল ইসলাম আরিফসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
জেএইচআর