ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
মাগুরায় তেলের ‘কৃত্রিম সংকট’

পাম্পে তালা ও সিন্ডিকেট রুখতে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান

মিরাজ আহমেদ, মাগুরা

মিরাজ আহমেদ, মাগুরা

মার্চ ৩০, ২০২৬, ০৭:০৪ পিএম

পাম্পে তালা ও সিন্ডিকেট রুখতে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান

মাগুরায় জ্বালানি তেলের সংকট আসলে কোনো সরবরাহ ঘাটতি নয়, বরং পরিকল্পিত সিন্ডিকেট ও অব্যবস্থাপনার ফল বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

সোমবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় এই কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। তেলের অবৈধ মজুত ও কালোবাজারি রুখতে এখন থেকে জেলাজুড়ে পাম্পগুলোতে তদারকি ও অভিযান জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, এখন থেকে কোনো অবস্থাতেই বোতল, জার বা প্লাস্টিক কনটেইনারে তেল বিক্রি করা যাবে না। শুধুমাত্র বৈধ কাগজপত্র থাকা অনুমোদিত যানবাহনই তেল পাবে। কৃষিকাজের ডিজেলের জন্য ব্লক সুপারভাইজারের স্লিপ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রতিটি পাম্পের সামনে চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনের কাগজপত্র যাচাই করা হবে এবং কোনো অসঙ্গতি বা সন্দেহজনক কার্যক্রম ধরা পড়লে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৩০ মার্চের হিসাব অনুযায়ী, মাগুরায় ২১,২০০ লিটার ডিজেল, ১১,৬০০ লিটার পেট্রোল এবং ৯,৬৩০ লিটার অকটেন মজুত রয়েছে। পর্যাপ্ত মজুত থাকার পরও পাম্প বন্ধ রাখা এবং খোলা বাজারে উচ্চমূল্যে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। শালিখার এসবি ফিলিং স্টেশনের মালিকপক্ষ দাবি করেছে, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে একটি সিন্ডিকেট জোরপূর্বক তেল নিয়ে সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে দিচ্ছে। অন্যদিকে, কৃষকদের কাছে প্রতি লিটার ডিজেল ১৫০ টাকায় বিক্রির তথ্যও পাওয়া গেছে।

জেলা প্রশাসক স্পষ্ট জানিয়েছেন, জেলায় তেলের কোনো ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে। এখন থেকে অবৈধ মজুত বা কালোবাজারির সঙ্গে জড়িতদের শুধু জরিমানা নয়, সরাসরি কারাদণ্ড দেওয়া হবে। জেলা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যারা মজুত ও বিক্রির হিসাব সরাসরি তদারকি করবেন।

সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ডিপো থেকে তেল আনার এক ঘণ্টার মধ্যে বিক্রি শুরু না করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। প্রথমবার সতর্ক করা হলেও দ্বিতীয়বার মোবাইল কোর্ট এবং তৃতীয়বার লাইসেন্স স্থগিত করা হবে। একই সাথে গ্রাহকদের সঙ্গে অসদাচরণ বা হয়রানি বন্ধেও পাম্প মালিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা, গোয়েন্দা সংস্থা ও সংবাদকর্মীদের উপস্থিতিতে এই সভায় জানানো হয়, মাগুরার জ্বালানি বাজার আর কোনো সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে থাকতে দেওয়া হবে না।

জেএইচআর

Link copied!