ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ঈশ্বরগঞ্জ হাসপাতালে রিপোর্ট পেতে বিলম্ব, সুযোগ নিচ্ছে দালালচক্র

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

এপ্রিল ১৯, ২০২৬, ০২:২০ পিএম

ঈশ্বরগঞ্জ হাসপাতালে রিপোর্ট পেতে বিলম্ব, সুযোগ নিচ্ছে দালালচক্র

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার রিপোর্ট পেতে দীর্ঘ সময় লাগায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ রোগীরা। এই বিলম্বকে পুঁজি করে হাসপাতাল চত্বরে সক্রিয় হয়ে উঠেছে দালালচক্র।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা বিপুলসংখ্যক রোগীকে চিকিৎসকেরা প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরামর্শ দেন। সরকারি ল্যাবে কম খরচে এসব পরীক্ষা করা গেলেও রিপোর্ট পেতে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে অনেক রোগী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চিকিৎসকের কাছে রিপোর্ট দেখাতে পারছেন না।

এই দীর্ঘসূত্রতার সুযোগ নিচ্ছে দালালরা। হাসপাতালের ভেতর ও প্রধান ফটকে অবস্থান নিয়ে তারা রোগীদের দ্রুত রিপোর্ট পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেয়। পরে বিভিন্ন বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে গিয়ে বেশি খরচে পরীক্ষা করাতে বাধ্য করে। এতে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চল থেকে আসা সাধারণ মানুষ প্রতারণার শিকার হচ্ছেন।

সরিষা ইউনিয়নের বাসিন্দা আবুল কাশেম বলেন, সরকারি হাসপাতালে কম খরচে পরীক্ষা করা গেলেও রিপোর্ট পেতে দেরি হওয়ায় অনেক সময় বাধ্য হয়ে বাইরে যেতে হয়। সেখানে অল্প সময়ে রিপোর্ট পাওয়া গেলেও খরচ বেশি পড়ে।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগে সেবার গতি বাড়ানো গেলে দালালদের দৌরাত্ম্য অনেকটাই কমানো সম্ভব। অন্যথায় সরকারি স্বাস্থ্যসেবার প্রতি মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ন হবে।

এ বিষয়ে জানতে প্যাথলজি বিভাগের ইনচার্জ সাজ্জাদ জহির আল-মাসুমের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। জানা গেছে, তিনি ওই দিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন।

ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. লিয়া বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক। কেন এমন বিলম্ব হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখে কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জাকির হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এএন

Link copied!