ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ০৮ জুন, ২০২৬

গোয়ালন্দে সন্ত্রাসী হামলায় আহত জাহাঙ্গীরের মৃত্যু, স্বজনদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ

মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) 

মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) 

জুন ৮, ২০২৬, ০৭:৪৬ পিএম

গোয়ালন্দে সন্ত্রাসী হামলায় আহত জাহাঙ্গীরের মৃত্যু, স্বজনদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ
গোয়ালন্দে জাহাঙ্গীরের মৃত্যু ও পরিবারের অসহায়ত্ব নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলছেন তার স্ত্রী আছমা খাতুন। ইনসেটে নিহত জাহাঙ্গীর।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত জাহাঙ্গীর মল্লিক (৩৭) মারা গেছেন।

৭ জুন রবিবার বিকেলে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

নিহত জাহাঙ্গীর মল্লিক উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের মৈজদ্দিন মোল্লা পাড়ার আয়নাল মল্লিকের ছেলে।

ঘটনার পর এলাকায় শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মরদেহ বাড়িতে আনা হলে স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

নিহতের পরিবার জানায়, গত ২৬ এপ্রিল ছাগলে ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে জাহাঙ্গীর মল্লিকের বাড়িতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে মানিক মোল্লা, আলম মণ্ডলসহ ১৩–১৪ জন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায়। তারা জাহাঙ্গীরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায়।

নিহতের বড় ভাই মকিম মল্লিক বলেন, চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে ৪-৫ লাখ টাকা খরচ করা হয়েছে। মাথায় গুরুতর আঘাতে তার ব্রেন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে তিনি প্যারালাইজড হয়ে পড়েন এবং দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন।

নিহতের স্ত্রী আছমা খাতুন বলেন, আমার স্বামী কারও কোনো ক্ষতি করেনি। তাহলে তাকে কেন এমনভাবে হত্যা করা হলো, আমি এর বিচার চাই।

গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, জাহাঙ্গীর মল্লিক হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী নতুন করে হত্যার ধারা যুক্ত করা হবে। এ মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে কয়েকজন জামিনে রয়েছেন এবং দুজন পলাতক। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

এম জি

Link copied!