ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

বিস্তীর্ণ জঙ্গলে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশাল প্রতিনিধি

জুলাই ১৩, ২০২৬, ০২:৪৫ পিএম

বিস্তীর্ণ জঙ্গলে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব রহমতপুর এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মহড়াস্থলে পৌঁছে তিনি সেনাসদস্যদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি সরেজমিনে ঘুরে দেখেন।

প্রধানমন্ত্রী বিস্তীর্ণ জঙ্গলের ভেতরে পায়ে হেঁটে সেনাসদস্যদের অবস্থান গ্রহণ, চলাচল কৌশল এবং বাস্তব যুদ্ধ পরিস্থিতিতে করণীয় বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় দায়িত্বে থাকা সেনা কর্মকর্তারা মহড়ার উদ্দেশ্য, কৌশলগত প্রস্তুতি এবং প্রশিক্ষণের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন।

মহড়ার অংশ হিসেবে শত্রুপক্ষের ড্রোন শনাক্ত ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত অ্যান্টি-ড্রোন মাল্টি-ব্যারেল সিস্টেমের কার্যক্রমও প্রত্যক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী। সেনা কর্মকর্তারা আধুনিক এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যপদ্ধতি ও যুদ্ধক্ষেত্রে এর ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেন।

পরিদর্শনের সময় সেনাসদস্যদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জঙ্গলের মধ্যে দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের কাছে গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন এবং নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে উৎসাহ দেন। একপর্যায়ে তিনি সেনাসদস্যদের সঙ্গে মাটিতে বসে কিছু সময় কাটান এবং তাদের প্রশিক্ষণ ও মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানতে চান।

যুদ্ধকালীন পরিবেশে সেনাসদস্যদের জন্য প্রস্তুত করা খাবারও গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী। কৌটার মধ্যে মোম জ্বালিয়ে তৈরি আগুনে রান্না করা সাদা ভাত, ডাল, আলুভর্তা, চিংড়ি মাছ ও ডিমের তরকারি তাকে পরিবেশন করা হয়।

পরে মহড়ায় অংশ নেওয়া সেনাসদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের গভীর আস্থা রয়েছে। জাতীয় সংকট মোকাবিলা, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের পরিচয় দিয়ে আসছে।

তিনি বলেন, সেনাসদস্যদের শৃঙ্খলা, দক্ষতা, আত্মত্যাগ ও দায়িত্ববোধের কারণে মানুষের কাছে বাহিনীটি বিশেষ মর্যাদা অর্জন করেছে। এই আস্থা ধরে রাখতে আধুনিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তিনি নিজে একটি সেনা পরিবারে বেড়ে উঠেছেন। তাই সেনাসদস্যদের কাছে এলে তার ভালো লাগে এবং শৈশবের নানা স্মৃতি মনে পড়ে। তাদের সঙ্গে কথা বলা ও সময় কাটানোর মাধ্যমে তিনি পুরোনো দিনের অনুভূতি ফিরে পান বলেও উল্লেখ করেন।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভবিষ্যতে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও আরও সুনাম, মর্যাদা ও পেশাগত স্বীকৃতি অর্জন করবে। সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিকায়ন ও মর্যাদা সমুন্নত রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলেও জানান তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিকসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এএন

Link copied!