ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২৬

বন্যায় ভেসে গেল খামারের ৯০০ সাপ, আতঙ্কে গ্রামবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জুলাই ৯, ২০২৬, ০৪:০৮ পিএম

বন্যায় ভেসে গেল খামারের ৯০০ সাপ, আতঙ্কে গ্রামবাসী

চীনের দক্ষিণাঞ্চলের গুয়াংজি ঝুয়াং স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের হেংঝৌ শহরের একটি সাপের খামার বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ার পর সেখান থেকে প্রায় ৮০০ থেকে ৯০০টি সাপ ছড়িয়ে পড়েছে। পালিয়ে যাওয়া সাপগুলোর মধ্যে বিষধর গোখরাও রয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে সাপের কামড়ে একজন গ্রামবাসী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

বুধবার চীনা সংবাদমাধ্যম সিজিটিএনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্থানীয় প্রশাসন উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করেছে। একই সঙ্গে গ্লোবাল টাইমস জানায়, টাইফুন মায়সাকের প্রভাবে গুয়াংজি অঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টির কারণে নাননিংয়ের অধীন হেংঝৌ এলাকার একাধিক জলাধারে জরুরি পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যার ফলে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়।

মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে দেখা যায়, হেংঝৌ শহরের ইউনবিয়াও টাউনশিপের দেংওয়েই গ্রামের একটি সাপের খামার বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়ার পর শত শত সাপ আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওগুলো প্রকাশের পর স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়।

দেংওয়েই গ্রামের কমিটির প্রধান উ ঝি স্থানীয় সংবাদমাধ্যম রেড স্টার নিউজকে জানান, ৬ জুলাই সকালে এ ঘটনা ঘটে। এখন পর্যন্ত একজন গ্রামবাসী সাপের কামড়ে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তিনি বলেন, পালিয়ে যাওয়া সব সাপ বিষধর নয়।

ইউনবিয়াও টাউনশিপের এক বাসিন্দা জানান, ওই এলাকায় নিচু জমির পাশাপাশি পাহাড়ি ঢালেও সাপের খামার রয়েছে। লিউলান ও ইউনবিয়াও জলাধারের বাঁধ ভেঙে যাওয়ার পর নিচু এলাকাগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। এতে কয়েকটি ছোট আকারের সাপের খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সেখান থেকে বিপুলসংখ্যক সাপ বেরিয়ে আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সাপচাষি লেই জানান, তার খামারটি উঁচু স্থানে থাকায় বন্যার পানি সেখানে পৌঁছায়নি। তিনি বলেন, এ অঞ্চলের খামারগুলোতে সাধারণত গোখরা, কিং র‍্যাট স্নেক এবং জলসাপ পালন করা হয়। এর মধ্যে কেবল গোখরাই বিষধর। তার ধারণা, নিচু এলাকার ছোট খামারগুলো থেকেই সবচেয়ে বেশি সাপ বেরিয়ে গেছে।

তবে তিনি আরও বলেন, অধিকাংশ সাপই পাহাড়ি বনাঞ্চলে চলে যেতে পারে। এছাড়া দীর্ঘ সময় পানির নিচে ডুবে থাকলে অনেক সাপ মারা যাওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।

হেংঝৌ জরুরি ব্যবস্থাপনা ব্যুরোর এক কর্মকর্তা গ্লোবাল টাইমসকে জানান, একটি সাপের খামার ধ্বংস হয়ে যাওয়া এবং কয়েকজন গ্রামবাসী সাপের কামড়ে অসুস্থ হওয়ার খবর তারা পেয়েছেন। এরপরই উদ্ধারকারী দলকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে দেংওয়েই গ্রামের প্রধান উ ঝি জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি এমন আশপাশের গ্রামের এক ডজনেরও বেশি বাসিন্দা স্বেচ্ছায় একটি বেসামরিক সাপ ধরার দল গঠন করেছেন। তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাপ ধরে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন, যাতে নতুন করে সাপের কামড়ের ঘটনা না ঘটে এবং স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

এএন

Link copied!