ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

চিলমারী রক্ষায় নদীভাঙন প্রতিরোধ ও চর মন্ত্রণালয়ের দাবি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

জুলাই ১৯, ২০২৬, ১২:৫৪ পিএম

চিলমারী রক্ষায় নদীভাঙন প্রতিরোধ ও চর মন্ত্রণালয়ের দাবি

ব্রহ্মপুত্র নদের অব্যাহত ভাঙন থেকে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলাকে রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় নদীভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন এবং চরাঞ্চলের মানুষের উন্নয়নে পৃথক চরবিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানান বক্তারা।

শনিবার সকালে চিলমারী উপজেলার বিশালপাড়া নদীভাঙন এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সহস্রাধিক নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ অংশ নেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু। বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও চিলমারী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল বারী সরকার, জেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সিনিয়র সহসভাপতি অধ্যক্ষ খাজা শরীফ উদ্দিন আহমেদ রিন্টু, চিলমারী উপজেলা শাখার সভাপতি সহকারী অধ্যাপক আবু হানিফা, সদস্যসচিব সহকারী অধ্যাপক ফজলুল হক, সোনালী অতীত ফুটবল ক্লাব কুড়িগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক ওয়াজেদ আলী ঝিনুক, চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম কাজী, মহিলা নেত্রী শাহনাজ সুলতানা এবং নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত আছির উদ্দিন ও শাহজাহান আলীসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা।

বক্তারা বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদের ভয়াবহ ভাঙনে প্রতিবছর চিলমারী উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। বসতভিটা, ফসলি জমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন স্থাপনা হারিয়ে হাজারো মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাই দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ এবং নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান তারা।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু বলেন, কুড়িগ্রাম জেলার ১৬টি নদ-নদীর অন্তত ৪২টি স্থানে বর্তমানে ভাঙন চলছে। গত ১০ বছরে প্রায় দুই লাখ মানুষ বসতভিটা হারিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। অথচ নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঠিক পরিসংখ্যান এখনো কোনো সরকারি দপ্তরের কাছে নেই।

তিনি বলেন, বন্যা ও নদীভাঙনের শিকার মানুষ শুধু জমিজমা নয়, তাদের শৈশব, স্মৃতি ও সামাজিক বন্ধনও হারাচ্ছেন। অনেক পরিবার এখনো জানে না, দুর্যোগের সময় কোথায় আশ্রয় নেবে কিংবা গবাদিপশু ও শিশুদের কীভাবে নিরাপদে রাখবে।

অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু আরও বলেন, নেদারল্যান্ডস, কানাডা, ইংল্যান্ড ও কলম্বিয়াসহ বিভিন্ন দেশে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের কার্যকর ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে এখনো সে ধরনের স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি।

তিনি দাবি করেন, দেশের ৩২টি জেলার প্রায় ১০০টি উপজেলার দুই কোটির বেশি মানুষ নদীভাঙন ও চরাঞ্চলের নানা সংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় পার্বত্যবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আদলে পৃথক চরবিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন সময়ের দাবি।

সমাবেশ থেকে নদীভাঙন প্রতিরোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং চরাঞ্চলের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা বলেন, চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন নিশ্চিত না হলে দেশের টেকসই উন্নয়নও সম্ভব নয়।

এম জি

Link copied!