ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

সলঙ্গায় মৎস্য আড়ত ইজারার দাবিতে মানববন্ধন

সলঙ্গা (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

সলঙ্গা (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

জুলাই ২০, ২০২৬, ০৫:২৭ পিএম

সলঙ্গায় মৎস্য আড়ত ইজারার দাবিতে মানববন্ধন

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গার কুতুবের চর মৎস্য আড়ত সরকারিভাবে ইজারার আওতায় আনার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। 

সোমবার দুপুরে কুতুবের চর মৎস্য আড়তদার, মৎস্য ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও এলাকাবাসীর যৌথ উদ্যোগে এই মানববন্ধন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, চলনবিল অঞ্চলের মৎস্য ব্যবসাকে উজ্জীবিত ও অর্থনৈতিকভাবে এলাকাটিকে স্বাবলম্বী করতে ২০২৩ সালে হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কের পাশে কুতুবের চর এলাকায় একটি মৎস্য আড়ত প্রতিষ্ঠা করা হয়। ‘কুতুবের চর মৎস্য আড়তদার সমবায় সমিতি লি:’ এর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এই আড়তের জন্য ব্যবসায়ীরা ৩০ শতক জায়গা সরকারকে লিখেও দেন। এরপর থেকে স্থানীয় মৎস্যচাষীরা এখানে নিয়মিত মাছ বিক্রি করে আসছেন এবং এখান থেকে উৎপাদিত মাছ ঢাকা ও ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে।

বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে উল্লেখ করেন, বিগত তিন বছর ধরে আড়তটি সফলভাবে পরিচালিত হলেও সরকার এখনো এটি ইজারার ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এর ফলে একদিকে সরকার যেমন বড় অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে আড়তটি সরকারি বরাদ্দ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই অবস্থায় ব্যবসায়ী, মৎস্য উৎপাদনকারী এবং শ্রমিকদের স্বার্থ বিবেচনা করে দ্রুত আড়তটি সরকারি ইজারার আওতায় আনার জোর দাবি জানান তাঁরা।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন কুতুবের চর মৎস্য আড়ত সমবায় সমিতির সভাপতি ফজলার রহমান মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম, মৎস্য আড়তদার আলামিন হোসেন, বকুল হোসেন, আইয়ুব আলী এবং ইউসূফ আলী।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম জানান, হাটের জন্য ব্যবসায়ীরা ৩০ শতাংশ জমি সরকারকে লিখে দিয়েছেন। হাটটি পেরিফেরি (সীমানা নির্ধারণ) করার জন্য ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠানো হয়েছে। উপর মহল থেকে অনুমোদন পেলে দ্রুত ইজারার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে অনুমোদন না আসা পর্যন্ত আপাতত যেভাবে আড়তটি চলছে, সেভাবেই চলবে।

জেএইচআর

Link copied!