ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬

কলাপাড়ায় এনসিপি নেতা কাফিসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে জমি দখল ও চাঁদাবাজির মামলা

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুলাই ২২, ২০২৬, ১০:৫৮ এএম

কলাপাড়ায় এনসিপি নেতা কাফিসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে জমি দখল ও চাঁদাবাজির মামলা

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জমি দখলের চেষ্টা, মাটি কেটে রাস্তা নির্মাণ এবং চাঁদা দাবির অভিযোগে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নুরুজ্জামান কাফি, তাঁর বাবা এবিএম হাবিবুর রহমান ও বড় ভাই মামুনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে।

রোববার বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম কলাপাড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্তের মাধ্যমে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ১১ জুলাই সকালে অভিযুক্তরা একটি ভেকু (খননযন্ত্র) ও অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে বিদ্যালয়ের জমির মাটি কেটে আকার-আকৃতি পরিবর্তন করে এবং সেখানে চলাচলের রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা করে। খবর পেয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সহকারী শিক্ষকদের সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দিলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে শিক্ষকদের ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্তরা প্রায় ৬ শতাংশ জমির অন্তত এক লাখ টাকার মাটি কেটে সরিয়ে নেন এবং সেখানে খোয়া ফেলে রাস্তা নির্মাণ করেন। এতে বিদ্যালয়ের প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম জানান, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই জমি ভোগদখল করছে। স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করতে ব্যর্থ হয়ে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে নুরুজ্জামান কাফি জানান, জমিটির মূল মালিকেরা দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে সুপ্রিম কোর্ট থেকে রায় পেয়েছেন। তাদের কাছ থেকে তিনি বায়না চুক্তির মাধ্যমে জমিটি কিনেছেন। মালিকপক্ষ জমি বুঝিয়ে দেওয়ার পর সেখানে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে।

তিনি আরও দাবি করেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে তাঁর কোনো সাক্ষাৎ বা কথা হয়নি। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

জেএইচআর

Link copied!