ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬

নান্দাইলে সীমানা প্রাচীর নির্মাণে সরকারি জমি হারানোর অভিযোগ

মো. শাহজাহান ফকির, নান্দাইল (ময়মনসিংহ)

মো. শাহজাহান ফকির, নান্দাইল (ময়মনসিংহ)

জুলাই ২৩, ২০২৬, ০৩:৩৭ পিএম

নান্দাইলে সীমানা প্রাচীর নির্মাণে সরকারি জমি হারানোর অভিযোগ

ময়মনসিংহের নান্দাইলে ঐতিহ্যবাহী চণ্ডীপাশা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পে প্রায় ৪০ লাখ টাকা মূল্যের সরকারি জমি বেহাত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

১৯১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত চণ্ডীপাশা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ১৯১৯ সালে সরকারিকরণ করা হয়। বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশে নরসুন্ধা নদী রয়েছে এবং বাকি তিন পাশে সীমানা প্রাচীর রয়েছে। সম্প্রতি উত্তর পাশের ৬৪২ ফুট দীর্ঘ পুরোনো ও নিচু প্রাচীর ভেঙে সেখানে ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে উঁচু আরসিসি পিলারের নতুন সীমানা প্রাচীর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কাজটি পেয়েছে ‘মণিহার এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পুরোনো প্রাচীরের নির্ধারিত জায়গায় কাজ না করে সেখান থেকে প্রায় এক থেকে দেড় ফুট ভেতরে ৪২টি পিলার বসিয়ে নতুন প্রাচীর নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে বিদ্যালয়ের প্রায় দুই থেকে তিন শতক জমি সীমানার বাইরে চলে যেতে পারে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, ওই জমির বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৪০ লাখ টাকা।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, সামান্য কিছু জায়গা খালি রাখার কারণে কোটি টাকা মূল্যের সরকারি সম্পত্তি ছেড়ে দিয়ে নতুন প্রাচীর নির্মাণের যৌক্তিকতা কী।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তাসনীম রেজা ছন্দ বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদাররা মাপজোক করেই জায়গা নির্ধারণ করেছেন। পুরোনো প্রাচীর ঘেঁষে স্থানীয়দের বাথরুমের ট্যাংকি ও পাইপলাইন থাকায় এবং প্লাস্টারের সুবিধার জন্য কিছুটা জায়গা ছেড়ে দেওয়ার কথা তাকে জানানো হয়েছে।

বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান ফকির বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও অগ্রহণযোগ্য। দ্রুত পুনরায় মাপজোক করে সঠিক সীমানায় প্রাচীর নির্মাণের দাবি জানান তিনি।

ময়মনসিংহ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহসিনা খাতুন বলেন, শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগের নির্ধারিত জায়গা অনুযায়ীই ঠিকাদারের কাজ করার কথা। কোনো কারণ ছাড়া সরকারি জমি ছেড়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। বিষয়টি নিয়ে তিনি দ্রুত সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান।

ময়মনসিংহ জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী রাসেল মিয়া বলেন, কাজ বাস্তবায়নের দায়িত্ব আমাদের। তবে বিদ্যালয়ের সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়ার দায়িত্ব স্কুল কর্তৃপক্ষের।

স্থানীয়রা বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে সরকারি জমি রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এম জি
 

Link copied!