ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬

জিয়াউদ্দিন হায়দারের উদ্যোগে ঝালকাঠির পর্যটনে নতুন দিগন্ত, অনুমোদন দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

জুলাই ২৭, ২০২৬, ১০:০৬ পিএম

জিয়াউদ্দিন হায়দারের উদ্যোগে ঝালকাঠির পর্যটনে নতুন দিগন্ত, অনুমোদন দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ঝালকাঠির গাবখান চ্যানেল, ধানসিঁড়ি, সুগন্ধা ও বিষখালী নদীর পঞ্চমোহনা এবং ভীমরুলীর ভাসমান পেয়ারা বাজারকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গড়ে তোলার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বাস্তবায়নের অগ্রগতি জানাতে সংশ্লিষ্ট দুটি মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

জেলার পর্যটন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে বিশ্বমানের পর্যায়ে তুলে ধরতে ‘ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী’ এবং নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম হাব প্রতিষ্ঠার উদ্যোগে নতুন গতি এসেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সংযোগ অধিশাখা থেকে ২২ জুলাই ২০২৬ তারিখে জারি করা এক পত্রে জানানো হয়, বিভাগীয় কমিশনারদের পাঠানো জুন ২০২৬-এর দ্বিতীয় পক্ষের পাক্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উত্থাপিত এ প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন।

প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে, গাবখান চ্যানেল, ধানসিঁড়ি নদী, পঞ্চমোহনা এবং ভীমরুলীর বিখ্যাত ভাসমান পেয়ারা বাজারকে ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম গড়ে তোলার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সমন্বিত পর্যটন অবকাঠামো, আধুনিক জেটি, নিরাপদ নৌপরিবহন, পর্যটক আবাসন এবং কার্যকর ব্র্যান্ডিংয়ের অভাবে এ সম্ভাবনার পূর্ণ বিকাশ ঘটেনি।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পঞ্চমোহনায় ৮৮ দশমিক ৩৬ একর সরকারি জমিতে ‘ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী’ ও নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম হাব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। এর আওতায় রিভারফ্রন্ট, ইকো-রিসোর্ট, ভাসমান রেস্তোরাঁ, জীবনানন্দ দাশ সাহিত্য ও গবেষণা কেন্দ্র, লোকজ জাদুঘর, সাংস্কৃতিক মঞ্চ এবং গাবখান চ্যানেল-ধানসিঁড়ি নদীকেন্দ্রিক পর্যটন সার্কিট গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পর্যটন শিল্পের বিকাশ, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্থানীয় অর্থনীতির সম্প্রসারণ এবং অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

পত্রে আরও বলা হয়েছে, ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক ইতোমধ্যে এ বিষয়ে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। তবে সংশ্লিষ্ট জমি বর্তমানে হাইকোর্ট বিভাগে বিচারাধীন থাকায় মামলা নিষ্পত্তি সাপেক্ষে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় নীতিগত অনুমোদন ও বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে অবহিত করার নির্দেশ দিয়েছে।

এম জি

Link copied!