আমার সংবাদ ডেস্ক
এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ০১:৩৯ পিএম
ঈদের পর চড়া হতে থাকা মুরগির বাজারে অবশেষে কিছুটা স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। তবে রাজধানীর বাজারে এখনো পুরোপুরি কাটেনি বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট।
শুক্রবার কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে নিত্যপণ্যের দামের এই মিশ্র চিত্র দেখা গেছে।
সপ্তাহ ব্যবধানে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। বাজারে বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহের তুলনায় ২০ টাকা কম। অন্যদিকে, সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ৭০ টাকা কমে ৩৮০ টাকায় নেমে এসেছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বাজারে সরবরাহ বাড়তে থাকায় দাম নিম্নমুখী হতে শুরু করেছে।
সবজির বাজারেও কিছু পণ্যের দাম কমেছে। পটল, ঢ্যাঁড়স ও করোলার দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। বর্তমানে শসা ৪০ টাকা কেজিতে পাওয়া গেলেও বেগুনের বাজার উল্টো চড়া। কেজিতে দাম বেড়ে বেগুন এখন ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ আগের চেয়ে কিছুটা বাড়লেও সংকট এখনো কাটেনি। অনেক দোকানে নির্দিষ্ট কয়েকটি কোম্পানির তেল একেবারেই পাওয়া যাচ্ছে না। খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় তেল আসা মাত্রই ফুরিয়ে যাচ্ছে।
মসলার বাজারে দামের ঊর্ধ্বগতি ক্রেতাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। এক মাসের ব্যবধানে এলাচ ও লবঙ্গের দাম কেজিতে প্রায় ৫০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এছাড়া আমদানিকৃত বাদাম, কিসমিস ও পোলাওয়ের চালের (১৭৫ টাকা কেজি) দামও চড়া রয়েছে।
বাজারে আসা সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, আয়ের তুলনায় ব্যয়ের পাল্লা অনেক ভারী হয়ে গেছে। আগে যে টাকা দিয়ে থলে ভর্তি বাজার করা যেত, এখন সেই টাকায় অর্ধেক পণ্যও মিলছে না। ফলে সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি অন্যান্য সময়ের চেয়ে কিছুটা কম দেখা গেছে।
জেএইচআর