ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

ট্রাম্প-শি বৈঠকের মধ্যেই বাড়ল তেলের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মে ১৪, ২০২৬, ০২:৪৩ পিএম

ট্রাম্প-শি বৈঠকের মধ্যেই বাড়ল তেলের দাম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের দিকে এখন বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগকারীদের নজর। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধ নিয়ে কোনো ইতিবাচক অগ্রগতি হবে কি না-তা নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা।

বৈঠকের সম্ভাব্য আলোচ্য ইস্যুগুলোর মধ্যে রয়েছে বাণিজ্য বিরতি, ইরান যুদ্ধ এবং তাইওয়ানে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রির মতো বিষয়। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ইস্যুতে চীন কতটা যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়াবে, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

বৈঠকের প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দামে সামান্য ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। ব্রেন্ট ক্রুড ২৬ সেন্ট বা ০.২৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫.৮৯ ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট -৩২ সেন্ট বা ০.৩২ শতাংশ বেড়ে ১০১.৩৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

এর আগের দিন বুধবার উভয় বেঞ্চমার্ক তেলের দাম কমে যায়। তখন যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কা এবং উচ্চ তেলের কারণে মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়ার উদ্বেগে বাজারে পতন দেখা দেয়। ওই দিন ব্রেন্টের দাম ব্যারেলপ্রতি ২ ডলারের বেশি এবং ডাব্লিউটিআই’র দাম ১ ডলারের বেশি কমে।

বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে ট্রাম্প-শি বৈঠকের আগে ট্রাম্পকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। আলোচনায় ভঙ্গুর বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ও তাইওয়ান ইস্যু উঠে আসে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, তেলের বাজার বর্তমানে ‘অপেক্ষা করো এবং দেখো’ অবস্থায় রয়েছে। আইএনজির বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ইস্যুতে আলোচনায় ইতিবাচক ফল আসবে-এমন প্রত্যাশা কিছুটা বাড়লেও নিশ্চিত নয়।

ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে শুরু হওয়া সংঘাতের পর হরমুজ প্রণালি, যা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ, কার্যত অচল হয়ে পড়ে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়ে।

আইজির বিশ্লেষক টনি সাইকামোর বলেন, প্রণালি পুনরায় খুলতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে সীমিত বিকল্প থাকবে, যা নতুন করে সামরিক পদক্ষেপের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

এদিকে ধারণা করা হচ্ছে, ইরান হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করেছে। একই সঙ্গে তারা ইরাক ও পাকিস্তানের সঙ্গে তেল ও এলএনজি রপ্তানি নিয়ে নতুন চুক্তিও করেছে।

অন্যদিকে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ইরাকের ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বহনকারী একটি চীনা সুপারট্যাংকার সম্প্রতি হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে-যা যুদ্ধ শুরুর পর খুবই বিরল ঘটনা।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের উৎপাদনে যুদ্ধ বড় ধরনের ক্ষতি করেছে এবং দ্রুত গতিতে তেলের মজুত কমছে। ফলে চলতি বছরে বিশ্বে তেলের সরবরাহ চাহিদার তুলনায় কম থাকতে পারে-যা আগের পূর্বাভাসের সম্পূর্ণ বিপরীত।

এম জি

Link copied!