ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬
গভর্নর

ব্যাংকিং খাতে এক তৃতীয়াংশ টাকাই পাচার হয়ে গেছে

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মে ২৩, ২০২৬, ০৬:০৭ পিএম

ব্যাংকিং খাতে এক তৃতীয়াংশ টাকাই পাচার হয়ে গেছে

দেশের ব্যাংকিং খাতের বড় একটি অংশ কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। তার ভাষ্য, ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অর্থ এখন আর বাস্তবে নেই, এর বড় অংশই বিদেশে পাচার হয়েছে।

শনিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

গভর্নরের দাবি, প্রায় ৫ লাখ কোটি টাকা বিভিন্ন উপায়ে বেরিয়ে গেছে, যেগুলোর বড় অংশকে ‘খেলাপি ঋণ’ হিসেবে দেখানো হলেও বাস্তবে সেগুলোর বিপরীতে কার্যকর কোনো জামানত নেই। তিনি বলেন, অত্যন্ত কৌশলী পদ্ধতিতে এসব অর্থ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে স্থবির অর্থনীতিকে সচল করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ ঋণ সহায়তা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে ৪১ হাজার কোটি টাকা আসবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর অতিরিক্ত তারল্য থেকে গঠিত পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের মাধ্যমে। বাকি ১৯ হাজার কোটি টাকা দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

ঋণের সুদের হার ও অন্যান্য শর্ত সম্পর্কে গভর্নর জানান, বিস্তারিত নির্দেশনা পরে সার্কুলারের মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।

খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধারে কাজ চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, যেসব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বড় অঙ্কের ঋণ নিয়েছে, তাদের কাছে পুরো অর্থ আর অবশিষ্ট নেই। এখন মূল লক্ষ্য হচ্ছে যতটা সম্ভব অর্থ পুনরুদ্ধার করা।

সম্প্রতি বড় অঙ্কের ঋণ বিতরণ সহজ করতে একক গ্রাহক ঋণসীমা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতি আনতেও নেওয়া হয়েছে নতুন ঋণ উদ্যোগ।

এত বড় ঋণ সুবিধা মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়াবে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে গভর্নর বলেন, ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে দায়িত্বশীল হতে হবে। তার মতে, সক্ষম ও ভালো গ্রাহকদের কাছেই ঋণ পৌঁছানো উচিত।

তিনি আরও জানান, এ ঋণের বিপরীতে সরকার ৬ শতাংশ সুদ ভর্তুকি দেবে। নতুন করে টাকা ছাপানো হবে না; ব্যাংকিং ব্যবস্থার বিদ্যমান অর্থ থেকেই এই সহায়তা দেওয়া হবে। অতিরিক্ত তারল্য থাকা ব্যাংকগুলোর অর্থ উৎপাদনমুখী খাতে ব্যবহার করে আবার ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

গভর্নর বলেন, বিদ্যমান ব্যবস্থার দুর্বলতা চিহ্নিত করে তা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা সার্কুলারের মাধ্যমে জানানো হবে।

বর্তমানে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের চলতি মূলধনের সংকট তীব্র আকার নিয়েছে। তার মতে, অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে এই মুহূর্তে বড় ঋণ সহায়তা ছাড়া বিকল্প খুব সীমিত।

এম জি

Link copied!