আমার সংবাদ ডেস্ক
ডিসেম্বর ১১, ২০২৫, ০৪:৫২ পিএম
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ইতোমধ্যেই সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে একই দিনে গণভোট ও ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ায় নির্বাচনে ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে জনগণের মাঝে বেশ কৌতূহল লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হবে তা নিয়ে আগ্রহ ও কৌতূহলের জায়গা বিবেচনায় রেখে ইতোমধ্যেই তফসিল ঘোষণার কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন জাতির উদ্দেশে ভাষণে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন বলে জানানো হয়েছে।
তবে অনেকের ধারণা তফসিল মানেই শুধু ভোটের তারিখ ঘোষণা। কিন্তু তফসিল আসলে পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সময়সূচির আইনি নথি, যেখানে মনোনয়ন, যাচাই-বাছাই, প্রচারণা সব কিছুর সময়সীমার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
নির্বাচনের তফসিলে আর কী কী সিদ্ধান্ত আসবে-
নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সেগুলো নির্বাচন কমিশন কর্তৃক যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া কত দিন পর্যন্ত চলবে এবং কবে শেষ হবে সে সিদ্ধান্ত তফসিলের মাধ্যমে জানানো হয়।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর নির্বাচন কমিশন প্রার্থীর যোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় রেখে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা কবে প্রকাশ করা হবে তার একটি নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়।
নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিটি ধাপের সময়সীমা তফসিলে নির্ধারণ করা হয়। খুব সহজ ভাষায় এটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের তারিখসহ সব কার্যক্রমের আইনি ঘোষণা। তফসিলে ঘোষণা করা হয় কবে ভোটগ্রহণ করা হবে এবং কয়টা থেকে কয়টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে তার স্পষ্ট ঘোষণা।
কিছু বিষয় সরাসরি সংবিধানে উল্লেখ আছে। যেমন: সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। এই ৯০ দিনের মধ্যে কোন দিন ভোট হবে, মনোনয়নের সময়সীমা কী হবে এসব সিদ্ধান্ত কমিশনারদের আলোচনা ও সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। তবে প্রয়োজন মনে করলে ইসি তফসিল সংশোধন করতে পারে। সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তারিখও পরিবর্তনের ক্ষমতা কমিশনের রয়েছে।
উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ২০০৮ সালে ড. এটিএম শামসুল হুদার কমিশন প্রথমে ১৮ ডিসেম্বর নির্বাচন দিন নির্ধারণ করলেও বিএনপির সঙ্গে আলোচনার পর তা ২৯ ডিসেম্বর করা হয়।
জেএইচআর