ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

জ্বর কমানোর ঘরোয়া উপায়

স্বাস্থ্য ডেস্ক

স্বাস্থ্য ডেস্ক

নভেম্বর ৬, ২০২৫, ১১:৪১ পিএম

জ্বর কমানোর ঘরোয়া উপায়

জ্বর বা শরীর গরম হওয়া আমাদের শরীরের একটি প্রাকৃতিক প্রতিক্রিয়া। সাধারণত ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, আবহাওয়ার পরিবর্তন, ক্লান্তি কিংবা ইমিউন সিস্টেমের প্রতিক্রিয়াতেই শরীরে তাপমাত্রা বেড়ে যায়। 

সাধারণ জ্বরকে প্রাথমিকভাবে আতঙ্কের কারণ না মনে করলেও এটি অবহেলা করা ঠিক নয়। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে ঘরোয়া কিছু উপায়ে জ্বর নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

জ্বর সাধারণত ১০০.৪°F বা ৩৮°C তাপমাত্রার বেশি হলে ধরা হয়। সাধারণ সর্দি-কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জা, ভাইরাল সংক্রমণ, ডেঙ্গু, টাইফয়েড বা শারীরিক ক্লান্তি থেকেও জ্বর হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে দাঁত ওঠা বা টিকা নেওয়ার পরেও হালকা জ্বর দেখা যায়। শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা কোনো সংক্রমণ ঠেকাতে তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাই জ্বর এক অর্থে শরীরের প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা।

ঘরোয়া উপায়ে জ্বর কমানোর কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। জ্বরের সময় শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। যথেষ্ট বিশ্রাম ও ঘুম শরীরকে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে। এছাড়া প্রচুর পানি ও তরল খাবার গ্রহণ জরুরি। জ্বরে শরীর থেকে ঘাম ও পানিশূন্যতা হয়। পানি, লেবুর শরবত, নারকেল পানি, স্যুপ বা হালকা তরল খাবার শরীর ঠান্ডা রাখতে এবং তাপমাত্রা স্বাভাবিক করতে সহায়ক।

ঠান্ডা ভেজা কাপড় ব্যবহার করেও শরীরের তাপমাত্রা কিছুটা কমানো যায়। একটি পরিষ্কার কাপড় ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে কপাল, ঘাড় ও বাহুর নিচে রাখা কার্যকর। এছাড়া হালকা ও বাতাস চলাচলযোগ্য পোশাক পরা উচিত, যাতে শরীরের অতিরিক্ত তাপ বাইরে বেরিয়ে যায়। তুলসি পাতা ও মধুর মিশ্রণ ভাইরাল জ্বরে সহায়ক। আদা বা তুলসি চা শরীরের প্রদাহ কমায় এবং ঘাম সৃষ্টি করে, যা তাপমাত্রা কমাতে সাহায্য করে। লেবু ও মধুর শরবতও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে শরীরকে শক্তি দেয়।

উষ্ণ পানিতে হালকা স্পঞ্জিং বা গা মুছিয়ে দেওয়া শিশু ও বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে কার্যকর। তবে জ্বরে অতিরিক্ত কম্বল বা মোটা কাপড় ব্যবহার, ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করা, অযথা ওষুধ খাওয়া বা বরফ/অ্যালকোহল ঘষা বিপজ্জনক হতে পারে।

চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন, যদি জ্বর তিন দিনের বেশি স্থায়ী হয়, শরীরের তাপমাত্রা ১০৩°F (৩৯.৫°C) ছাড়িয়ে যায়, শিশু বা বৃদ্ধ খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দেয়, শরীরে র‍্যাশ, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া বা শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়, অথবা অজ্ঞান ভাব বা অতিরিক্ত দুর্বলতা অনুভূত হয়।

করণীয় সারসংক্ষেপ: পর্যাপ্ত বিশ্রাম শরীর পুনরুদ্ধারে সহায়ক; প্রচুর পানি পান ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ করে; ঠান্ডা কাপড়ে সেঁক শরীর ঠান্ডা রাখে; লেবু, মধু, তুলসি প্রাকৃতিক জ্বরনাশক; এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিরাপদ ও কার্যকর চিকিৎসার নিশ্চয়তা দেয়।

জ্বর একটি সাধারণ উপসর্গ হলেও অবহেলা করলে বড় জটিলতা দেখা দিতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে সঠিক যত্ন ও ঘরোয়া পদ্ধতিতে অনেক জ্বরই সেরে যায়। তবে দীর্ঘস্থায়ী বা অস্বাভাবিক জ্বর হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। নিজের সচেতনতা ও প্রাথমিক করণীয় সম্পর্কে জ্ঞানই দ্রুত আরোগ্যের প্রথম ধাপ।

ইএইচ

Link copied!